শনিবার পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে নেতাজি মূর্তিতে মাল্যদান করেন মুখ্যমন্ত্রী। মাল্যদান ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন চলে পুলিশ মেমোরিয়ালে। তবে অতিমারীর আবহে এ বছর স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের দৃশ্যটা ছিল অনেকটাই আলাদা। সমগ্র অনুষ্ঠান চলে সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে। এদিনের সীমিত অনুষ্ঠানে বারবারই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে বাজছিলো একটাই সুর, 'করোনা চলে যাবে একদিন/ কোভিড যোদ্ধাদের মনে রেখো'। যার রচয়িতা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই।
এদিনের স্বল্পকালীন অনুষ্ঠানে মঞ্চে ৫০ জন অতিথির বসার ব্যবস্থা করা হয়। প্রদর্শিত হয় মাত্র ৪টি ট্যাবলো। চলে কলকাতা পুলিশের সংক্ষিপ্ত কুচকাওয়াজ পর্ব। তাঁদের অভিবাদন গ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরই এবারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান শুরু হয়। কোভিড যোদ্ধাদের সংবর্ধনা পর্ব। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও দূরত্ববিধি মেনে ২৫ জন কোভিড যোদ্ধাদের হাতে সংবর্ধনার উপহার তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। যাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাক্তার, নার্স, সাফাই কর্মী ও আশা কর্মীরা। গোটা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন ধর্মনিরপেক্ষতার কথা উল্লেখ না করেও দেশের প্রতিষ্ঠার সময়কার মূল নীতির রক্ষার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তারপরে রওনা দেন রাজভবনের উদ্দেশ্যে। রাজভবন সূত্রে খবর, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে এদিন আলোচনা হয় রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে অবশ্য বলা হয় এটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার।
প্রসঙ্গত, এদিন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিকেলে রাজভবনে চা-চক্রের আয়োজন করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর। সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে। আমন্ত্রিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীও। তবে, সন্ধেবেলা অন্য কাজ আছে, তাই সকালেই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে গেলেন বলে এদিন রাজভবন থেকে বেরিয়ে জানান মুখ্যমন্ত্রী।





No comments:
Post a Comment