জানা গিয়েছে, যতদিন না পুরসভার নিজস্ব করোনা পরীক্ষা কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে ততদিন কাজ হবে হেল্থ সেন্টারে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই সেখানে পরিকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই হেল্থ সেন্টার গুলির একটি ঘরকে সম্পূর্ণ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসক। যাতে লালা রস সংগ্রহ করার সময় পিপিই পরে থাকতে চিকিৎসকদের অসুবিধা না হয়।
অন্যদিকে, ইতিমধ্যেই শহরে সেফ হোম ও কোয়ারেন্টিন সেন্টারের সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি চালু সেন্টার গুলিতে শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। পুরসভার একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, উপসর্গহীনরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংক্রমণ ছড়িয়ে থাকছেন। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি ওয়ার্ডে যদি নিজস্ব পরীক্ষা কেন্দ্র গড়ে ওঠে তাহলে নিয়মিত পরীক্ষা হবে। ফলে দ্রুত সংক্রমিতদের চিহ্নিত করা যাবে। সেই মুহূর্তে তাকে আলাদা করে রাখার ব্যবস্থাও করতে পারবে পুরসভা। তাই এই ব্যবস্থার ফলে সংক্রমণ ছড়ানোর হাত থেকে অনেকখানি রেহাই পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী পুরকর্তৃপক্ষ।

No comments:
Post a Comment