এদিন ট্যুইটে রাজ্যপাল লেখেন, 'মমতা-সরকারের মহামারী ক্রয়ে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। ধামাচাপা দিতে হওয়া তদন্তের বিশ্বাসযাগ্যতা নেই। সিদ্ধান্তগ্রহণকারীরাই (এক জন ছাড়া) বাঁচাতে ব্যস্ত। ভবিষ্যতের কথা ভেবেই কাজ। কেবলমাত্র স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত অপরাধীদের ধরতে পারবে।'
এরপরই গোটা বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবী জানিয়ে রাজ্যপাল লেখেন, 'কেনাকাটার কাটমানি কোথায় গেল, কে বা কারা লাভবান হলেন-সেটা খোঁজাই তদন্তের একমাত্র কাজ হওয়া উচিৎ। করোনা ক্রয়ের হিসাব, কোথা থেকে কেনা হয়েছে, কারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা জানিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ হোক। স্বচ্ছতার অভাবেই দুর্নীতি জন্ম। মমতা প্রশাসন এবার পর্দা সরিয়ে আসল তথ্য বাইরে আনুন। আর্থিক অনিয়ম এবং নির্দিষ্ট কয়েকজনের লাভবান হওয়ার খবরে বিরক্তি বোধ করছি।'
উল্লেখ্য, গোটা বিশ্বের কাছে করোনা আনকোরা রোগ হওয়ায় এর জন্য যথাযথ স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ছিল না কোথাও। একই অবস্থা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গে করোনার প্রকোপ দেখা দিতে নানান চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার প্রয়োজন হয়ে পড়ে স্বাস্থ্য দফতরের। রাজ্য সরকারের এক আধিকারিক জানান, করোনা মোকাবেলায় গত কয়েক মাসে যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হয়েছে, তাতে স্বাস্থ্য দফতরের ২ হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ হয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এই বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছে দুর্নীতির অভিযোগ। কিভাবে এই অভিযোগের সরব হয়েছেন রাজ্যপালও।
এর আগেও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করে ট্যুইট করেছিলেন রাজ্যপাল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রধান সচিবকে সেই রিপোর্ট জমা দেবেন তাঁরা।

No comments:
Post a Comment