গ্রীষ্মের মরশুমে আম খাওয়ার অভূতপূর্ব ফলাফল - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 30 July 2020

গ্রীষ্মের মরশুমে আম খাওয়ার অভূতপূর্ব ফলাফল




তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে উত্তাপের কারণে মানুষের সমস্যা বাড়তে শুরু করেছে। এই মরশুমে স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। গ্রীষ্মের মরশুমটি আমের মৌসুম, যা ফলের রাজা হিসাবে পরিচিত। আমের কেবল স্বাদের কারণে ফলের রাজা বলা হয় না, এই ফলটি তার অনেক স্বাস্থ্য উপকার এবং চিকিৎসার গুণাবলীর কারণে সবার প্রিয় হয়ে উঠেছে। আমের পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ পাওয়া যায় যা ত্বকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ  এ ছাড়া আমের ফাইবার বেশি থাকে, ক্যালোরি ও সোডিয়াম কম থাকে। আম ফলে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ  ভিটামিন বি এবং সি ছাড়াও পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রনের পরিমাণও বেশি।

বিখ্যাত সেলিব্রিটি কসমেটোলজিস্ট এবং লেজার সার্জন ডাঃ অপাতিম গোয়েলের মতে, আমের বিভিন্ন ধরণের উপকারী পুষ্টি থাকে যা পারস্পরিক ত্বকের জন্য চরম উপকারী।

১. যুদ্ধ ব্রণ:

আমের উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন এ রূপান্তরিত হয়, যা ব্রণর সমস্যায় প্রভাব ফেলে। ব্রণ নিরাময়ে সহায়তা করে।

২. ত্বকের উজ্জ্বলতা:

অ্যান্টি-এজিংয়ের সমস্যা দূর করতে বিটা ক্যারোটিন সহায়ক। আমের উপস্থিত ভিটামিন সি কোলাজেন হ্রাস করতে সহায়তা করে। এগুলি ছাড়াও সাধারণ কালো দাগ এবং পিগমেন্টেশন সমস্যা কমাতে এটি কার্যকর।

৩. ত্বক থেকে ডেড সেলগুলি সরান:

গ্লিসারিন বা মধু দিয়ে ত্বকে আমের সজ্জা লাগানো মৃত ত্বক দূর করতে সহায়তা করে এবং আপনাকে সুন্দর ও ঝলকানো ত্বক দেয়।

৪. ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়ক:

আম অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে স্তন ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সার, পেটের ক্যান্সার এমনকি রক্তের ক্যান্সার প্রতিরোধে পরিচিত।

৫. স্থূলত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করে:

বেশিরভাগ লোকেরা বিশ্বাস করেন যে আম খাওয়া স্থূলত্বের দিকে পরিচালিত করে, তবে খুব কম লোকই জানেন যে আমের মধ্যে উপস্থিত ফাইবার এবং ভিটামিন সি শরীরে উৎপাদিত লাইপোপ্রোটিনগুলি ভেঙে ফেলা, পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এবং অন্ত্রের গতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ডায়াবেটিস এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা হ্রাস করতে সহায়তা করে।

৬. চুল পড়া / সাদা হওয়া রোধে সহায়ক:

আমের কার্নেলগুলি কয়েক দিন তেলে রেখে দিন, তারপরে সেই তেলটি আবার চুলে লাগান, এটি চুল পড়া বা সাদা হওয়া রোধ করতে পারে। শুকনো আমের গুড় গুড়ো করে গুঁড়ো তৈরি করে মেথি ও দইয়ের সাথে মিশিয়ে খেলে চুলকানির হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৬. হ্যাপি হরমোন:

আমগুলিতে প্রচুর ট্রিপটোফান থাকে যা "হ্যাপি-হরমোনস" তৈরি করতে সহায়তা করে। তাই আমকে হ্যাপি ফল বলা হয়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad