করোনার যুগে মানুষের কাজ করার পদ্ধতিও বদলে গেছে। অনেক সংস্থা করোনার মধ্যে 'বাড়ি থেকে কাজ' সংস্কৃতি গ্রহণ করছে। তবে এই প্রকল্পটি কতটা কাজ করবে এবং কী ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে তা বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ সন্দীপ ভোহরা বলেছিলেন যে করোনার যুগে এটি প্রমাণিত হয়েছে যে ভবিষ্যতে বাড়ি থেকে কাজটি গুরুত্বপূর্ণ হবে। তবে একটানা এটি করা মনের উপর আরও জোর দেবে, যা এড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ। ডাঃ ভোহরা এটি এড়াতে টিপসও শেয়ার করেছেন।
তিনি বলেছিলেন, 'বাড়ি থেকে কাজের লোকেরাও বিরক্তি, দুঃখ বা অনিদ্রার মতো সমস্যায় ভুগতে পারে। এর জন্য আপনার জীবনযাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখা খুব জরুরি। একটানা কয়েক ঘন্টা কাজ করার পরিবর্তে, ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা কাজ করার পরে ১০ মিনিটের বিরতি নিন। কাজের মাঝামাঝি সময়ে অনলাইন মিথস্ক্রিয়ায় একটি বিরতি রাখাও প্রয়োজনীয়।
ডঃ ভোহরা আরও বলেছিলেন, 'পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় কাটান এবং অনলাইনে প্ল্যাটফর্মে আপনার বন্ধুবান্ধব এবং আত্মীয়দের সাথে যোগাযোগ করুন। মনের সতেজতার জন্য এটি করা খুব জরুরি। মানুষ একটি সামাজিক প্রাণী, তাই সমাজের সাথে যুক্ত থাকা তার পক্ষে অত্যন্ত জরুরি।
এ ছাড়া ডঃ ভোহরা বলেছিলেন যে লকডাউনের সময় বসবাসরত মানুষের পক্ষে পর্যাপ্ত ঘুম পাওয়া খুব জরুরি। রাতে ৬-৯ ঘন্টা পর্যাপ্ত ঘুম পান। অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেকে শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখুন। এই সমস্ত বিষয় মাথায় রাখলে আপনার বাড়ি থেকে কাজের বোঝা আপনার মনে চাপবে না।

No comments:
Post a Comment