করোনা আবহে সবকিছু স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল। তার উপরে লকডাউনও মরার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের কাজ করছে। তবে লকডাউনে ভাটা পরতেই অন্যান্য কাজের সাথে রাজনৈতিক কাজকর্মও শুরু হয়ে গিয়েছে জোর কদমে।
লকডাউন শিথিল হওয়ার প্রথম দিনেই গেরুয়া শিবির পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্য কমিটি গঠন করেছে। আর এই নতুন রাজ্য কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েক জন লড়াকু নেতাদের। সেই অনুযায়ী বঙ্গ বিজেপিতে জায়গা পেয়েছেন উত্তরবঙ্গের অন্যতম লড়াকু নেতা দ্বিপেন প্রামাণিক। প্রকাশিত রাজ্য বিজেপির কার্যকরী সমিতির এই তালিকায় দেখা গিয়েছে মোট ১২ জন সহ-সভাপতির মধ্যে থেকে উত্তরবঙ্গ থেকে অন্যতম সহ সভাপতি হিসেবে স্থান পেয়েছেন ওই দলের অভিজ্ঞ ও লড়াকু নেতা বলে পরিচিত এই দ্বিপেন প্রামানিক। জলপাইগুড়ির এক গ্রামীণ কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা এই দ্বিপেন প্রামাণিক বিভিন্ন সময়ে জেলা বিজেপির ঊষা লগ্ন থেকেই দলের সঙ্গে থেকেছেন । বিভিন্ন ক্ষেত্রে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর আগে দলের জেলা সভাপতি ও উত্তরবঙ্গের আহ্বায়ক পদেও ছিলেন তিনি।
রাজ্য বিজেপি তালিকা প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা গিয়েছে সেখানে স্থান পেয়েছেন এই দ্বীপেন প্রামানিক, যার ফলে উৎসাহী জেলার বিজেপি কর্মীদের দ্বারা মঙ্গলবার তাকে যেমন সম্বর্ধিত করা হয়, অন্যদিকে দলীয় কর্মীদের কাছ থেকে উৎসাহিত হয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী দীপেন বাবু আক্রমণ শানান প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেসকে। তিনি আক্রমণাত্মক সুরে এই প্রতিবেদককে বলেন, আগামী ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোতে চান তিনি । এই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়ার প্রশ্ন নেই। তিনি আরও বলেন, উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, পার্বত্য ও তরাই ডুয়ার্স মূলত আদিবাসী- জনজাতি অধ্যুষিত এলাকা হওয়ার কারণে এখানকার মানুষের প্রতি তার একটা আলাদা আস্থা-বিশ্বাস রয়েছে বলে দীপেন বাবু জানিয়েছেন। তিনি এই এলাকার মানুষের উন্নয়নের প্রতি লক্ষ্য রেখে আগামী দিনে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

No comments:
Post a Comment