রাজ্যপালকে বিজেপির সদর দপ্তরে বসার পরামর্শ দিলেন ফিরহাদ হাকিম, রাজ্যপালের হয়ে পাল্টা আক্রমণ দিলীপ ঘোষের - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 3 May 2020

রাজ্যপালকে বিজেপির সদর দপ্তরে বসার পরামর্শ দিলেন ফিরহাদ হাকিম, রাজ্যপালের হয়ে পাল্টা আক্রমণ দিলীপ ঘোষের





রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত যেন থামছেই না। শনিবারও যথারীতি জারি ছিল লড়াই। মুখ্যমন্ত্রীকে করা রাজ্যপালের ট্যুইট নিয়ে এবার সরব হলেন  পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

রাজ্যপাল রাজ্য বিজেপি সভাপতির মতো কথা বলছেন। রাজ্যপালের করোনা নিয়ে তথ্য গোপনের অভিযোগের জবাব দিলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রাজ্যপালকে তাই রাজভবন ছেড়ে রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরে বসার পরামর্শ দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেছেন, 'রাজ্য বিজেপি সভাপতি যা বলছেন, রাজ্যপালও একই কথা বলছেন। উনি রাজনৈতিক ভাবে মোটিভেট হয়ে গিয়েছেন। রাজভবনটা উনি রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহার করছেন। রাজভবনে বসে এভাবে কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করাটা অনৈতিক, তিনি এটা করতে পারেন না। রাজ্যপাল বরং রাজভবন ছেড়ে বিজেপির সদর দপ্তরে এসে বসুক ও সেখান থেকেই কাজ করুক'। 

পুরমন্ত্রীকে আবার পাল্টা বাণে বিদ্ধ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার কথা, 'রাজ্যপাল কোথায় বসবেন সেটা ওনাদের ঠিক করে দিতে হবে না, তা দেখার জন্য দিল্লিতে লোক  আছেন। তবে এক বছর পর ওনারা কোথায় বসবেন তা ঠিক করে রাখুন'।

প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রীকে করা ট্যুইটে তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। টুইটে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি লেখেন, ‘করোনা সংক্রান্ত তথ্য লুকানোর অপারেশন বন্ধ করুন, সকলকে স্পষ্ট করে সেই তথ্য দিন। ৩০ এপ্রিল স্বাস্থ্য বুলেটিনে ৫৭২ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দেখানো হয়েছিল। ১ তারিখ কোনও স্বাস্থ্য বুলেটিন নেই। এদিকে কেন্দ্রীয় সরকারকে দেওয়া তথ্যে দেখানো হচ্ছে, ৯৩১ টি আক্রান্তের সংখ্যা।’

এদিকে ফিরহাদ বাবু কথায়, 'আমরা কেন তথ্য গোপন করব! এই মহামারী মানব বাহিত রোগ। রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু করার নেই, আমরা কাউকে দায়ি করছি না। মানুষ সচেতন হলেই এই রোগ থামানো যাবে'। 

উল্লেখ্য, ভাইরাস সংক্রান্ত তথ্য গোপন করা নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিকবার সুর চড়িয়েছে বিজেপি। এদিন রাজ্যপালও সেই সুরে সুর মেলালেন রাজ্যপাল। 


তবে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের আগের ১৪ পাতার চিঠির জবাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার ১২ পাতার চিঠি দিয়েছেন। সেখানে রাজ্যপালকে তাঁর সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে অবশ্য নবান্নে সাংবাদিক মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, 'আমার মাথায় বারবার গুঁতো দিতে থাকলে আমি কি মাথা এগিয়ে দেব!' এরপরেই পুরমন্ত্রী রাজ্যপালের এদিনের ট্যুইটের পরিপ্রেক্ষিতে জবাব দিলেন। 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad