সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী ১ লা মে থেকেই রেশনে চাল,আটা বিলি শুরু হয়েছে।কাটোয়া ২ ব্লকের জগদানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিটি রেশন সপে রেশনের জন্য বরাদ্দ চাল,আটা সামাজিক দুরত্ব মেনেই বিলি হচ্ছে। রবিবার রেশন সামগ্রী ঠিকমতো বণ্টন হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে মুস্থূলীর রেশন সপে উপস্থিত হন জগদানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গৌতম ঘোষাল,পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য ভাস্কর চ্যাটার্জ্জী।
এই রেশন সপ থেকে রেশন সামগ্রী বিলি হয় ঘোড়ানাশ, মুস্থূলী, আমডাঙ্গা, একডেলা গ্রামের উপভোক্তাদের।জগদানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গৌতম ঘোষাল জানান,একসঙ্গে সকলে যাতে রেশন দোকানে ভিড় না করেন,সেজন্য পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পাড়াভিত্তিক ভাগ করে রেশন সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান,রেশন নিয়ে মানুষের অধৈর্য হওয়ার কিছু নেই,সুষ্ঠুভাবে রেশন বণ্টনে আমরা বদ্ধপরিকর। রাজ্যের মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দিয়েছেন তারজন্য আমরা কৃতজ্ঞ।,রাজ্যসরকার ও রাজ্য প্রশাসনকে সাহায্য করার জন্য সকলকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
রেশনের দোকানের সামনে মোতায়েন রয়েছে সিভিক ভলান্টিয়ার ও ভিলেজ পুলিশ।সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য নির্দিষ্ট দুরত্ব অন্তর সাইকেলের পুরানো টায়ার দিয়ে গোল করে দেওয়া হয়েছে।ডিলার দিলীপ মণ্ডলের কথায়, সরকারি নির্দেশ মেনে গ্ৰাহকদের হাতে AAY কার্ডে চাল ১৫ কেজি পরিবার পিছু এবং প্রতি কার্ড পিছু অতিরিক্ত ৫ কেজি করে চাল,আটা ১৯ কেজি করে বিনামূল্যে,SPHH,PHH কার্ডে প্রতি কার্ড পিছু ৭ কেজি চাল, আটা ২.৮৫০ কেজি বিনামূল্যে,R K SS- 1,RKSS -2 ৫ কেজি প্রতি কার্ড পিছু বিনামূল্যে চাল দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান,জগদানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে যথেষ্ট সাহায্য করা হচ্ছে,জনসাধারণও সুষ্ঠুভাবে রেশনের সামগ্রী নেওয়ায় আমার কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।উপস্থিত গ্রাহকরা জানান তারাও সঠিকভাবে রেশনের সামগ্রী পাচ্ছে।

No comments:
Post a Comment