নদীর ধারে একটি আমবাগানে তাঁবু খাটিয়ে কোয়ারেনটিন সেন্টারে ৯ পরিযায়ী শ্রমিক - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 1 May 2020

নদীর ধারে একটি আমবাগানে তাঁবু খাটিয়ে কোয়ারেনটিন সেন্টারে ৯ পরিযায়ী শ্রমিক





বাইরে থেকে ফেরা আসা অনেক শ্রমিক সচেতনতার অভাবে হোম কোয়ারান্টিনে যাচ্ছেন না এমনই অভিযোগ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উঠছে। এমনকি বিভিন্ন ক্ষেত্রে গা ঢাকা দিয়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে ভিন জেলা এবং ভিন রাজ্য ফেরত শ্রমিকদের একাংশ।




কিন্তু মালদার কৌতুয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আলাদাই চিত্র  কলকাতা থেকে ফেরত ৯ জন পরিযায়ী শ্রমিক নিজেরাই নদীর ধারে একটি আমবাগানে কোয়ারেনটিন সেন্টার হিসাবে তারা নিজেরাই তাঁবু খাটিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের এই উদ্যোগ দেখে হতবাক হয়েছেন কৌতুয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের সতীচড়া কলোনি এলাকার বাসিন্দারা।




সংশ্লিষ্ট এলাকার পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে,  মালদার কৌতুয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের সতীচড়া কলোনির  ৯ জন শ্রমিক কাজ করতে গেছিল উলুবেরিয়ারতে। সেখানে গিয়ে লকডাউনে তারা আটকে পড়েন। তখন  তারা কোতোয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রসেনজিৎ দাসের সাথে  ফোনে যোগাযোগ করেন  ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রসেনজিৎ দাস ইংরেজবাজারের তৃণমূল বিধায়ক  নিহার রঞ্জন ঘোষের সাথে যোগাযোগ করে অনুমতি পত্র নিয়ে তাদেরকে মালদায় ফিরিয়ে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেন।




 প্রথমে তাদেরকে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান ডাক্তার তাদের নয়জনকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেয় । কিন্তু তারা গ্রামে ফিরে বাড়ি না গিয়ে কালিন্দী নদীর ধারে একটি নির্জন আমবাগানে তাঁবু খাটিয়ে রয়েছেন। সেটিকেই তারা কোয়ারেনটিন সেন্টার হিসেবেই মনে করে আছেন।




ওই শ্রমিকেরা জানিয়েছেন,  ১৪ দিন তারা এই ভাবেই আমবাগানে থাকবে। ১৪ দিন পর চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র নিয়েই নিজেদের গ্রামের বাড়ি ফিরবেন। তারা বরো বলেন যদি আমাদের শরীরলে কোন কিছু ধরা পরে তাহলে আমাদের পরিবারে ছরিয়ে পরবে পারে তাই আমরা নিজেদের পরিবার ও গ্রামবাসিদের সুস্থ রাখতে এই বাগানে রয়েছি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad