বিজেপির মন্ডল সম্পাদকের উপর হামলার ঘটনার পর দুদিনও কাটলো না। ফের লকডাউন উপেক্ষা করে একই এলাকায় অন্য আরেক জন বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালালো তৃনমুল আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। এমনটাই অভিযোগ বিজেপির। বাড়ি ঘর ভাঙ্গচুর লুটপাট চালানোর পাশাপাশি এক মহিলাকেও শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার তপন থানার নয়াবাজার অঞ্চলের উত্তর বজ্রাপুকুর এলাকায় আজ সকাল এগারটা নাগাদ প্রকাশ্য দিবালোকে।পুলিশ কোন পদক্ষেপ করেনি বলে ওই মহিলার অভিযোগ। যদিও সব অভিযোগই তৃনমুলের পক্ষ থেকে অস্বিকার করে বলা হয়েছে এসব পারিবারিক ঝামেলা এর সাথে দল জড়িত নয়। রাজনৈতিক গত ভাবে পেরে না ওঠায় তৃনমুলকে বদনাম করতে তাদের কে নিশানা করছে বিজেপি বলে ফোনে জানান জেলা তৃনমুলের কার্যকরি সভাপতি দেবাশিষ মজুমদার।
অপরদিকে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে লকডাউন উপেক্ষা করে আজ সকাল এগারটা নাগাদ তপন থানার নয়াবাজার অঞ্চলের উত্তর বজ্রাপুকুর এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে ধারালো অস্ত্র শস্ত্র সহ লাটবি রাম দা, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে একদল তৃনমুল আশ্রিত দুষ্কৃতি সেখানকার বিজেপির কার্যকারিতা কিশোরি রায়ের বাড়িতে হামলা চালায়।
ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার টিনের বাড়ি ঘর কোপান হতে থাকে। পাশাপাশি চলে লুটপাট ও ভাঙ্গচুর । ওই দুষ্কৃতিদের হাতে শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয় কীশোরি রায়ের স্ত্রী জয়ন্তী রায়কে।অভিযোগ তার শ্লীলতাহানীর পাশাপাশি তার শাড়ি ব্লাউস ছিড়ে তাকে বিবস্ত্র করারও চেষ্টা চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা অবাধে বেশ কিছুক্ষন ভাঙ্গচুর শ্লীলতাহানী ও ৮০ হাজার টাকা সুটকেস ভেঙ্গে লুটপাট চালিয়ে সেখান থেকে সরে পড়লে ও বেলা দুটো অবধি পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্তে আসেনি।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ এপ্রিল এই বজ্রাপুকুর এলাকায় বিজেপির গ্রামীন মন্ডল সভাপতি ভগীরথ সরকার ও আরেক বিজেপি কর্মী দীপংকর সরকারের উপর একদল তৃনমুল আশ্রিত দুষ্কৃতীর দল হামলা চালিয়েছিল। সেই হামলায় দুজনেই গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।
যদিও সেদিনও তৃনমুলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ অস্বিকার করে বিষয়টি পারিবারিক গন্ডোগোলকে বিজেপি তৃনমুলের ঘাড়ে চাপাতে চাইছে বলে জানানো হয়েছিল।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বিজেপি দলের আরেক কার্যকারির বাড়িতে হামলা চালালো দুষ্কৃতিরা।

No comments:
Post a Comment