করোনা মোকাবেলায় মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১৫ লক্ষ টাকা অনুদান দিলেন বসিরহাটের বিশিষ্ট সমাজসেবী বারিক বিশ্বাস - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 7 April 2020

করোনা মোকাবেলায় মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১৫ লক্ষ টাকা অনুদান দিলেন বসিরহাটের বিশিষ্ট সমাজসেবী বারিক বিশ্বাস




গোটা পৃথিবীর প্রথম বিশ্ব থেকে তৃতীয় বিশ্বের কমবেশি ২০৮  টি দেশ করোনাভাইরাস আক্রান্তে জর্জরিত।  আমাদের গোটা দেশ সহ রাজ্য পশ্চিমবঙ্গবাসীরা বিশেষভাবে আতঙ্কিত ও আক্রান্ত, এমতাবস্থায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে রাজ্যের বিভিন্ন মহানুভব ব্যবসায়ী ও সমাজসেবীদের সহায়তা একান্তভাবে কাম্য, আর ঠিক এমনি ভাবেই বসিরহাট ১ নম্বর ব্লক এর অন্তর্গত সংগ্রামপুর শিবাটির স্থায়ী নিবাসী বারিক বিশ্বাসের আজ মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১৫ লক্ষ টাকা অনুদান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

কিন্তু এই বারিক বিশ্বাস নাকি বসিরহাট মহকুমা তথা জেলা উত্তর ২৪ পরগনার অতি চর্চিত এক নাম । সমাজের কিয়দংশ মানুষের কাছে যদিও তিনি কিছুটা যেন বিতর্কিত আবার সেই সমাজেরই অধিকাংশ মানুষের কাছে তিনি এক জন ত্রাতা বা দাতা বা অসময়ের বন্ধু। আর ঠিক এমনটাই উঠে আসে বারবার সমাজের বিভিন্ন স্তরের সাধারন মানুষের একান্ত মতামতের ভিত্তিতেই ।

একাধারে তিনি যেমন একজন সুপ্রতিষ্ঠিত বিজনেস আইকন অন্যধারে তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজসেবীও । তাঁর এই সমাজসেবা কিন্তু বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে শুধুই বিরাজমান নয়,সরকারি ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময় অনুদান থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় তার সহযোগিতার হাত কিন্তু সর্বত্রই লক্ষ্য করেছে বসিরহাটের আপামর মানুষজন। আর স্থানীয় বিভিন্ন মানুষের মতামত অনুযায়ী তার এই সহযোগিতা কিন্তু  ব্যক্তিগত মানুষের জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও একান্ত ভাবে কাজে লাগে কারণ তাদের মতে তার সহযোগিতা মন্দির-মসজিদ নির্মাণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অর্থাৎ ঈদ থেকে দুর্গাপুজো বা কালীপুজো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রতি বছরই মোটা অর্থদান, বৃদ্ধাশ্রম থেকে গরীব দুস্থ অসহায় মানুষের হাসপাতাল ভর্তি থেকে শুরু করে প্রতিভাবান গরীব ছেলে- মেয়েদের আবার উচ্চ স্তরে স্কুল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে তার সহযোগিতা কিন্তু সর্বত্রই ।

আমাদের সংবাদ মাধ্যমের তরফ থেকে বারিক বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রাজ্যবাসীর জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন এবং এই ভাইরাসের প্রকোপ থেকে রাজ্যবাসীকে রক্ষা করতে তিনি বিভিন্ন নতুন নতুন আর্থ-সামাজিক- জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়েছেন, সঙ্গে বিভিন্ন ভাবে কোয়ারান্টিন সেট আপ ,মেডিসিন্স ও মাস্ক এর জোগাড় করতে ব্যস্ত। তাই আমাদের মত সমস্ত ব্যবসায়ী ও সমাজসেবীদের এগিয়ে আসা উচিৎ মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রয়াস কে পুরোপুরি সফল করতে ”। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, কমবেশি ২০ বছর ধরে তিঁনি বসিরহাট সংলগ্ন বিভিন্ন অঞ্চলগুলিতে বিশেষভাবে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে তিনি আর্থিক সহযোগিতা করে আসছেন পাশাপাশি সেই “আইলা”র সময় সুদূর সুন্দরবন পর্যন্ত তিনি নৌকায় করে শস্য ও খাদ্য ও বিভিন্ন ঔষধ ও পানীয় জল তিনি দিয়ে আসতেন। তিনি মনে করেন, একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও বসিরহাটবাসী হিসেবে এটা তার কর্তব্য বিভিন্ন রকমের সমস্যায় স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
আবার শাসক দলের উঁচু স্তরের বহু নেতা-নেত্রীদের কাছে বারিক বিশ্বাস নাকি তাদের রাজনৈতিক দলের অনুগামী। যাই হোক জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তার সহযোগিতার হাতটা অনেকাংশে কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয়ের মনিকোঠায় কোথায় যেন ইতিমধ্যে এক বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। তাই তার জনপ্রিয়তা কোনও অংশে একজন জনপ্রিয় নেতা বা মন্ত্রীর থেকে কম নয় বলে মনে করেন অনেকেই।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad