কিট দ্বন্দ্বে মুখোমুখি ভারত-চীন - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 29 April 2020

কিট দ্বন্দ্বে মুখোমুখি ভারত-চীন




চীন থেকে আমদানি করা করোনার র‌্যাপিড টেস্টিং কিট নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে চীন ও ভারত। ভারতের দাবি, চীন থেকে তারা যে কিট আমদানি করেছে তা খারাপ ছিল। গত সপ্তাহেই রাজ্যগুলোকে সেই কিট ব্যবহার না করার নির্দেশ দেয় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল।
গুণগত মানের ত্রুটির অভিযোগ এনে কিট ফেরত দেওয়ার কথাও জানিয়ে দিয়েছে ভারত। রাজ্যগুলোকে বলা হয়েছে পুরোনো পিসিআর পদ্ধতিতেই সমীক্ষা চালিয়ে যেতে। তবে, ভারতের দাবি বরাবরের মতোই নাকোচ করে দিয়েছে চীন। তাদের দাবি, এই কিট বহু দেশ ব্যবহার করছে। ভারত ব্যবহার করতে পারেনি যথাযথ ভাবে।
সোমবার চিনা দূতাবাসের মুখমাত্র জি রং বলেন, “আমরা জানি, প্রচণ্ড চাহিদার মুখে সাড়ে পাঁচ লক্ষ র‍্যাপিড অ্যাকশান কিট আমদানি করেছে ভারত। সেই কিটগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাঠানো হয়েছে, নানা জায়গায় ব্যবহার করা হয়েছে। অপেশাদাররা এই কিট ব্যবহার করলে কোনও ফল পাওয়া যাবে না।”
ভারতে র‍্যপিড কিট পাঠিয়েছিল চিনের দুই সংস্থা গুয়াংঝো ওয়ান্ডফো বায়োটেক ও লিভজন ডায়াগনিস্টিক। ভারতের পক্ষ থেকে কিট খারাপের অভিযোগ করার পরই বিস্ময় প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানগুলো। কিট খারাপ হয়ে থাকলে সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাসও দেয় তারা।
তবে সোমবার চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানিয়েছে, “গুয়াংঝো ওয়ান্ডফো বায়োটেক ও লিভজন ডায়াগনিস্টিক প্রতিষ্ঠান দুটির প্রস্তুত করা কিট ন্যাশানাল মেডিক্যাল প্রোডাক্টস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব চায়না দ্বারা স্বীকৃত এবং গুণমান নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। বহু দেশ এই কিট ব্যবহার করছে। ভারতের ন্যাশানাল ইন্সটিটিউট অব ভাইরোলজির মারফত আইসিএমআর স্বীকৃতি দিয়েছ এই কিটকে।”
এদিকে চীনের কিট নিয়ে ভারতের অভিযোগ করার পর পাল্টা ভারতীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে চীনা দূতাবাস। দূতাবাসের মুখপাত্র জি রং বলেন, “শুধু মুখে বলেই থেমে থাকেনি চীন। প্রয়োজনে ভারতকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েও দিয়েছে। সাহায্য নেওয়ার পরে এখন যোগ্যতামান নিয়ে প্রশ্ন তোলা দায়িত্বজ্ঞানহীনতা।”

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad