সবখানে টাইটানিক ছেয়ে যাওয়ায় অপ্রস্তুত অস্বস্তিও হয়েছিল তাঁর - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 29 April 2020

সবখানে টাইটানিক ছেয়ে যাওয়ায় অপ্রস্তুত অস্বস্তিও হয়েছিল তাঁর





অস্কার, এমি ও গ্র্যামিজয়ী হলিউড তারকা কেট উইন্সলেট ১৯৯৭ সালে তাঁর অভিনীত টাইটানিক ছবির অবিশ্বাস্য সফলতায় খুশি হয়েছিলেন, হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে সবখানে টাইটানিক ছেয়ে যাওয়ায় তাঁর নাকি অপ্রস্তুত অস্বস্তিও হয়েছিল। এক ছবিতেই শোরগোল ফেলে দেওয়া তুমুল জনপ্রিয়তার ধাক্কা সামাল দিতে সময় লেগেছিল কেটের।

ক্যানডিস ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৪৪ বছর বয়সী কেট সম্প্রতি ২১ বছরের পুরোনো এক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এভাবে: টাইটানিক-এ ছেয়ে গেল পুরো বিশ্ব। এর বছর দুয়েক পর আমি জলোচ্ছ্বাসের মতো আসা তারকাখ্যাতি থেকে ছুটি নিয়ে ছুটলাম ভারতে। হিমালয়ে হাঁটছিলাম। আমার পেছনে একটা লোক লাঠি নিয়ে এলেন। তাঁর বয়স ৮৫। এক চোখ অন্ধ। আমাকে দেখে বললেন, এই, তুমি টাইটানিক-এর সেই রোজ না? আমার চোখে জল চলে এল। আমি দৌঁড়ে গিয়ে তাঁর হাত ধরলাম। বললাম, হ্যাঁ, আমিই সেই।'

কেট জানান, তিনি সব সময়ই বড় পর্দার অভিনেত্রী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই তুমুল তারকাখ্যাতির জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। হঠাৎই বিশ্বের সবাই তাঁকে নিয়ে আলাপ করা শুরু করল, অনেক কিছু লেখা শুরু হল, যার বেশির ভাগই অসত্য। কেট বলেছেন, অন্য যেকোনও মানুষের মতোই তাঁর সেগুলো পড়ে কষ্ট হতো। সন্দেহ হতো, তিনি ঠিক জীবনটাই বেছে নিয়েছেন কি না। সেসব থেকে পালাতেই হিমালয়ে ছুটেছিলেন। আর হিমালয়ের সেই অভিজ্ঞতাটুকু কেটকে বলে দিয়েছিল, তিনি ভুল করেননি। জীবনে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad