বিভিন্ন শিফটে যারা কাজ করেন, তারা অজান্তেই নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। কারণ দিল্লির ‘ইউনিভার্সিটি কলেজ অব মেডিকেল সায়েন্সেস’-এর গবেষকরা বলছেন, যারা ‘শিফট’ ভিত্তিক চাকরি করেন তাদের ঘুম ও বিপাকক্রিয়াজনিত সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা উল্লেখযোগ্য হারে বেশি। আর এ সমস্যা একজন মানুষকে ক্রমশই ঠেলে দেয় হৃদরোগ, ‘স্ট্রোক’ এবং ‘টাইপ টু ডায়াবেটিস’-এর দিকে। এই বিপদের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি নাইট শিফটে কাজ করা ব্যক্তিদের।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘রোটেশনাল শিফট’-এ কাজ করলে ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ বা শরীরের স্বাভাবিক চক্র বিঘ্নিত হয়। ‘সার্কাডিয়ান রিদম’-এ বিশৃঙ্খলার কারণে, নষ্ট হয় হরমোনের ভারসাম্য। আর এই ভারসাম্যহীনতাই বিপাকক্রিয়াজনিত সমস্যা তৈরি করে এবং ডেকে আনে দীর্ঘমেয়াদি রোগ।
গবেষণায় দেখা গেছে, যেখানে রাতের ‘শিফট’-এ কাজ করা নার্সদের ৯ শতাংশ বিপাকক্রিয়াজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন, সেখানে দিনের ‘শিফট’-এ কাজ করা নার্সদের মধ্যে এই সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা মাত্র ১ দশমিক ৮ শতাংশ।

No comments:
Post a Comment