মানুষ যেমন মধু পছন্দ করে তেমনই ভাল্লুকদের ক্ষেত্রেও কিন্তু ব্যাপারটা একই! একবার মধুর গন্ধ পেলে ভাল্লুকের মন অস্থির হয়ে যায়। সুযোগ খোঁজে মধু চুরির। আর এমনই এক চুরির ঘটনা ঘটেছে তুরস্কে। তবে মধু চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে বরং লাভই হয়েছে ভাল্লুকের। মধুর মালিক ভাল্লুককে চাকরি দিয়েছেন।
তুরস্কের ইব্রাহিম সেডেফ ভাল্লুকের মধু চুরির আগ্রহ দেখে অভিনব পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। মধু চুরি করতে আসা এক ভাল্লুককে তিনি চাকরি দিয়েছেন। ভাল্লুককে দিয়ে মধুর গুণগত মান পরীক্ষা করান তিনি। বিনিময়ে মধু খাওয়ার সুযোগ মেলে ভাল্লুকের।
ভাল্লুকের উৎপাতে অনেক সময় ব্যবসায়ীদের মধুর ব্যবসা লাটে ওঠে। কিন্তু ইব্রাহিম ভাল্লুককে নিজের সহকর্মী করলেন। মধুর স্বাদ পরীক্ষা করার সুযোগে ভাল্লুকেরও হয়ে যায় মধু খাওয়া। তার পছন্দের ধরণে বোঝা যায় মানুষের সঙ্গে মিল ঠিক কতটা!
তবে দামী মধু বাছাই করা হয় ভাল্লুক দিয়ে। তিন-চার রকমের মধু ভাল্লুকের সামনে রাখলে সে বেছে নেয় আঞ্জের মধু। স্বাদে গুণে আঞ্জের মধু অনন্য। মধুপ্রিয় মানুষেরা যারা এই মধু সম্পর্কে জানেন, একবার হলেও আঞ্জের মধু খেতে চান। আর এই মধু বাছাই করতে ইব্রাহিম ভাল্লুককে মধুর স্বাদের পরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ করেছেন। সেফেড-এর ফার্মে নতুন কর্মচারী এখন ভাল্লুক।

No comments:
Post a Comment