দক্ষিণ ২৪ পরগনা ক্যানিংয়ের পথের সাথীতে নাবালিকা নাবালকের বিয়ে ভেঙে দিল পুলিশ। সরকারি হল ঘর ভাড়া করে শুরু হয়েছিল বিয়ের তোড়জোড়। কিন্তু মাঝপথে পুলিশ ও প্রশাসনের লোকজন এসে ভেঙে দিলো সেই বিয়ে। কারণ যাদের বিয়ে হচ্ছে তাদের বয়স এখনো ১৮ পৌঁছায়নি।
পাত্রীর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনা বাসন্তী থানার নারায়ণতলা এলাকায়। পাত্রের বাড়ি মগরাহাটে। পাত্রীর বাবা দিবাকর সরদার বলেন, আমরা জানি ১৮ বছর না হলে কন্যাকে বিয়ে দিতে নেই। কিন্তু কি করবো বলুন। ফোনে ফোনে প্রেম করে শুধু বলছে বিয়ে দাও বিয়ে দাও।বিষ খেয়ে আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। সেই থেকে বাঁচতে এই বিয়ের তোড়জোড়।
পাত্রীর বয়স ১৭ বছর পাত্রের বয়স বছর কুড়ি। পাত্রী মৌমিতা সরদার পাত্রের নাম সন্তু মন্ডল। পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছে বেশ কিছুদিন আগেই। তারপর ফোনে ফোনে প্রেম করেই উভয়ের মধ্যে তৈরি হয় ভালোবাসা। এরপর বিয়ে। পাড়ার অনেকেই বারণ করেছিল নাবালিকা কন্যাকে বিয়ে দেওয়া যাবে না।
আর তাই বিয়ের তোড়জোর গ্রামের বাড়িতেই না করে ক্যানিং বাজারের উপরেই মহকুমাশাসকের অফিসের নিকটেই সরকারি আবাসন পথেরসাথী ভাড়া করে চলছিল এই বিয়ের তোড়জোর। বুধবার যখন রান্নাবান্না প্রায় সমাপ্ত পাত্রী ও প্রস্তুত বিয়ের জন্য ঠিক তখনই উপস্থিত হয় পুলিশ।
পুলিশের সহযোগিতায় আপাতত ভেঙে যায় বিয়ে। পুলিশ হানা দিয়েছে শুনেই আর পাত্রপক্ষ উপস্থিত হননি বিয়ের আসরে। পাত্রীর বাবা ও পাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত।

No comments:
Post a Comment