ইয়েস ব্যাঙ্কের টালামাটাল অবস্থার ঠিক আগে অল্পের জন্য বেঁচে গেছিলো দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা খাদ্য দপ্তর। কারণ মাসকয়েক আগেই জেলা খাদ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ওই ব্যাঙ্কের সঙ্গে লেনদেন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ তা না হলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হত জেলার কয়েক হাজার কৃষককে৷
গত বছর ডিসেম্বর মাস থেকেই ইয়েস ব্যাঙ্কের টালমাটাল অবস্থা শুরু হয়। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা খাদ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের দেওয়া প্রায় ২২টি চেক বাউন্স হয়ে যায় । যদিও সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাঙ্কের নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে ১ হাজার কোটি টাকা আগেই রাখা হয়েছিল। তাহলে চেক বাউন্স হয় কী করে ?
বিষয়টি জানতে পেরেই জেলা খাদ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পুরো বিষয়টি জানানো হয়। এরপর ডিসেম্বর মাসেই নির্দেশিকা জারি করে ইয়েস ব্যাঙ্কের সঙ্গে সম্পূর্ণ লেনদেন বন্ধ করে দেয় জেলা খাদ্য দপ্তর। আর এতেই জোর বাঁচা বেঁচে যায় জেলা খাদ্য দপ্তর।
বর্তমানে এখন অন্য একটি ব্যাঙ্কের সঙ্গে চুক্তি করে কৃষকদের চেক প্রদান করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হচ্ছে না জেলা খাদ্য দপ্তরের। এদিকে এখনও জেলা খাদ্য দপ্তরের কাছে চার থেকে পাঁচ হাজার চেক রয়েছে ইয়েস ব্যাঙ্কের।

No comments:
Post a Comment