বাংলার গর্ব মমতা কর্মসূচির জলযোগে যোগাযোগ পালনের বড়ো প্রাপ্তি সাংবাদিক নিরাপত্তা - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 12 March 2020

বাংলার গর্ব মমতা কর্মসূচির জলযোগে যোগাযোগ পালনের বড়ো প্রাপ্তি সাংবাদিক নিরাপত্তা





বাংলার গর্ব মমতা কর্মসূচির জলযোগে যোগাযোগ পালনের বড়ো প্রাপ্তি সাংবাদিক নিরাপত্তা !
বাংলার গর্ব মমতা কর্মসূচিতে নিরাপত্তার আশ্বাস পেলেন বারাসত মহকুমার সাংবাদিকরা। গত তিন বছরে উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলা সদর বারাসতের একাধিক সাংবাদিক কর্মরত অবস্থায় মারধর খেয়েছেন দুষ্কৃতীদের কাছে। মধ্যমগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিষয়টি উঠেছিল। এদিন সাংবাদিকের নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে সাংবাদিকদের সাহসে জুটল শক্তি।

সাংবাদিকরা মুলত শক্তি পেয়ে থাকেন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে সুসম্পর্কের জন্য। গনতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতা হল এক মাত্র স্তম্ভ যারা দূর্নীতি আর অপব্যবহার মূলক কাজকর্মে জড়িত থাকেন না। যদিও বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া। আর বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্যে পড়ে সংবাদ মাধ্যম সংস্থা গুলোর নাম মাত্র পারিশ্রমিক। অনেকক্ষেত্রে তাও জোটে না।


রাষ্ট্রে সংবাদ মাধ্যম হল একমাত্র সংস্থা যারা বেতন পরিকাঠামো মানেনা শ্রমিকদের শ্রমের জন্য। এমনকি সংবাদ মাধ্যম হল একমাত্র ব্যতিক্রম সংস্থা যার কর্মীরা নিজেরা বেতন বৈষম্য থেকে নায্য না পাওয়া ও প্রতারণার শিকার হয়েও তা বুকে চেঁপে অন্যের যন্ত্রণায় ছুটে গিয়ে বেতন বৈষম্য, বেতন না পাওয়া এবং প্রতারণার খবর সংগ্রহ করে প্রকাশ্যে এনে পরোক্ষে মালিক পক্ষের ওপক চাপ তৈরি করে।
সাংবাদিকতা হল সেই পেশা যার কোনও অংশে ক্ষেত্রে দূর্নীতি গ্রস্ত পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয় না। যেটা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে রয়েছে। যেমন পুলিশ। পুলিশকে থানায় আগত জন সাধারণ থেকে বড়ো কর্তা এবং গন্যমান্যদের আথিতেয়তা করতে বিরাট অংকের টাকা প্রতিদিন খরজ হয়। যা সরকার বহন করেনা। এই বিরাট অংশের ব্যয়ভার তুলতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কিংবা থানায় আসা মামলাকারী অথবা, তদন্তের সময় পুলিশকে হাত পাততে হয়।


সংবাদ মাধ্যম চলে এডিটরিয়াল নিয়ম মেনে। এই এডিটরিয়াল চলে সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন পলিসির ওপর ভিত্তি করে। যেখানে সাংবাদিকের ভূমিকার কোনও মূল্য নেই। দেখাগেছে, সাংবাদিককে রাজনীতি এবং সরকারী সংস্থার দূর্নীতি গ্রস্থরা নিজস্ব স্বার্থ চরিতার্থ করতে ব্যবহার করে থাকেন। এভাবেই সাংবাদিক হয়ে ওঠেন অসাধু। বেতন বৈষম্যের শিকার হওয়া এবং প্রাপ্য না পাওয়া হত দুর্দশাগ্রস্ত সাংবাদিক এভাবেই অফিসের সৌজন্যে অসাধু হুন। অথচ, আমারা সাংবাদিকদের দোষ খুঁজি বেশি। গালমন্দ ও প্রহার করি।


মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষ বিষয়টি জানেন। তাই সাংবাদিক আক্রান্তে তিনি মর্মাহত হন একজন নাগরিক হিসাবে। 
রথীন বাবু বলেন, “আগামী দিনে আমার নির্বাচনী ক্ষেত্রের মধ্যে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে,”।
মধ্যমগ্রামে সাংবাদিকদের সাথে ‘জলযোগে যোগাযোগ’ শীর্ষক এক সভায় অংশগ্রহণ করে রথীনবাবু এই কথা বলেন।

‘বাংলার গর্ব মমতা’-র বিষয়ে বলতে গিয়ে রথীনবাবু আজ বলেন, “তৃণমূল জমানায় বাংলায় প্রভূত উন্নয়ন ঘটেছে, আর এই উন্নয়নের নিরিখেই আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার গর্ব রূপে পরিচিত হয়েছেন।”


No comments:

Post a Comment

Post Top Ad