হাস্যকর অর্থে একে অপরকে ক্ষতি করার ক্ষেত্রেই অথবা উপহাস করে হলেও প্রচলিত জনপ্রিয় ধারার শব্দ বাঁশ। বলা যায় বাঁশ দেওয়া মানে এরকমই। অথচ পাহাড়ি অঞ্চলে বাঁশ খেতে বেশ সুস্বাদু। বাঁশের রেসিপিরও আছে বেশ প্রকারভেদ। তাহলে চলুন, বাঁশ খাওয়া যাক, সুস্বাদু বাঁশ।
বাঁশ ভাজি: বাঁশ একটি পরিচিত নাম। আর সেই বাঁশ যদি আমরা ভাজি হিসেবে খাই তাহলে ব্যাপারটা কেমন হয় বলেন তো? পাহাড়ি এলাকায় বাঁশ তাদের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার। বাঁশের কোড়ল হিসেবে পরিচিত এই কচি বাঁশ গুলো। এই কোড়ল কেই ভাজি করে খাওয়া হয় পাহাড়ি এলাকা গুলোতে।
বাঁশ এর ডাল : ডাল তো সবাই-ই খাই। তবে পাহাড়ি এলাকায় ডাল গুলো বাঁশ দিয়ে রান্না করা হয়। বাশেঁর নরম কোড়ল ছোট ছোট করে কেটে ডালের সাথে রান্না করা হয়। এতে ডালের স্বাদে কিছুটা ভিন্নতা আসে।
বাঁশ মুরগির তরকারি: পাহাড়িদের অন্যতম বিশেষ খাবার হচ্ছে ব্যাম্বু চিকেন অথবা বাঁশ মুরগি। রান্নার প্রক্রিয়া ও স্বাদের ভিন্নতার কারনে এই খাবারটি বেশ জনপ্রিয়। পাহাড়ি বা দেশি মুরগির সাথে আদা বাটা, রসুন, ধনিয়া পাতা আর পাহাড়ের এক ধরনের বিশেষ পাতার সংমিশ্রনে রান্না করা হয় এই বাঁশ মুরগি। লম্বা বাঁশের মধ্যে মুরগির মিশ্রণ ভিতরে ঢুকিয়ে তা কয়লার মধ্যে রান্না করা হয়। এরপর গরম গরম পরিবেশন করা হয় এই মজাদার খাবারটি। পরিবেশনও করা হয় চিকন বাঁশের মধ্যে। বাঁশ কেউ খেতে চায় না, কিন্তু পাহাড়ি অঞ্চলের এমন বাঁশ খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে।
সূত্র: এমএনজি24
সূত্র: এমএনজি24

No comments:
Post a Comment