ইংরেজির গুরুত্ব নতুন করে বলার কিছু নেই। আমরা অনেকেই ইংরেজি ভয় পাই। বহুজাতিক কোম্পানিতে ভালো চাকরি পেতে গেলে ভালো ইংরেজি বলতে পারার কোন বিকল্প নেই। সব রকম যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় শুধু ইংরেজিতে সাবলীলভাবে কথা না বলতে পারার কারণে অনেকেরই চাকরি হয় না। কিন্তু বিশ্বকে জানতে হলে ইংরেজি জানতেই হবে। আর ইংরেজি আপনাকে কতখানি এগিয়ে দিতে পারে তা বলে দিতে হবে না। ইংরেজি বলার পিছনে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে কাজ করে আমাদের সংকোচ। তাই আমাদের এই সংকোচ কাটিয়ে উঠতে হবে। বিভিন্ন দেশের মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে ইংরেজী ভাষা সবচেয়ে বেশি কাজে দেয়।
সহজ উপায়
একটা বিষয় আমাদের অবশ্যই অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল ইংরেজি শোনা এবং তা ব্যবহার করা। একটি ছোট শিশু পিতামাতার কাছ থেকে সর্বপ্রথম যে শব্দগুলো বেশি শোনে তাই উচ্চারন করতে শেখে। পরে সে সেগুলো ধীরে ধীরে ব্যবহার করতে শুরু করে। আস্তে আস্তে এ পদ্ধতিতেই সে দেড় থেকে দুই বছর পর একটু একটু করে কথা বলেতে শেখে। পরে আমাদের মত তুখোড় বক্তা হয়ে যায়। সবচেয়ে ভালো উপায় হল যেকোন শিশুর বেড়ে ওঠা লক্ষ্য করুন। শিশু প্রতিনিয়ত নতুন নতুন শব্দ শুনতে থাকে এবং এর কিছু কিছু ব্যবহার করা শুরু করে। এভাবেই প্রতিনিয়ত তার জানা শব্দভান্ডার বাড়তে থাকে এবং সেই সাথে বাড়তে থাকে তার নিজের ব্যবহার করা শব্দের ভান্ডার। আর এভাবেই সে কয়েক বছরে একটি ভাষার প্রায় শতভাগই ধরতে গেলে আয়ত্ব করে পেলে। কোন শিক্ষকের পক্ষে জীবনেও আরেক জন্যকে ভাষা শিক্ষা দেয়া সম্ভব না। কোন নির্দিষ্ট বই পড়েও ভাষা শেখা যায় না। মাতৃভাষা ছাড়া অন্য সকল ভাষা শেখার ক্ষেত্রে মানুষ নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শিক্ষক। এক্ষেত্রে সেই অতি পরিচিত পদ্ধতি যেভাবে মাতৃভাষা শিখেছেন, সেভাবেই ইংরেজিও শিখতে হবে। না হলে এতদিন যেভাবে ব্যর্থ হয়ে এসেছেন সেভাই ইংরেজিতে ব্যর্থ হতে হবে।
একটা বিষয় আমাদের অবশ্যই অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল ইংরেজি শোনা এবং তা ব্যবহার করা। একটি ছোট শিশু পিতামাতার কাছ থেকে সর্বপ্রথম যে শব্দগুলো বেশি শোনে তাই উচ্চারন করতে শেখে। পরে সে সেগুলো ধীরে ধীরে ব্যবহার করতে শুরু করে। আস্তে আস্তে এ পদ্ধতিতেই সে দেড় থেকে দুই বছর পর একটু একটু করে কথা বলেতে শেখে। পরে আমাদের মত তুখোড় বক্তা হয়ে যায়। সবচেয়ে ভালো উপায় হল যেকোন শিশুর বেড়ে ওঠা লক্ষ্য করুন। শিশু প্রতিনিয়ত নতুন নতুন শব্দ শুনতে থাকে এবং এর কিছু কিছু ব্যবহার করা শুরু করে। এভাবেই প্রতিনিয়ত তার জানা শব্দভান্ডার বাড়তে থাকে এবং সেই সাথে বাড়তে থাকে তার নিজের ব্যবহার করা শব্দের ভান্ডার। আর এভাবেই সে কয়েক বছরে একটি ভাষার প্রায় শতভাগই ধরতে গেলে আয়ত্ব করে পেলে। কোন শিক্ষকের পক্ষে জীবনেও আরেক জন্যকে ভাষা শিক্ষা দেয়া সম্ভব না। কোন নির্দিষ্ট বই পড়েও ভাষা শেখা যায় না। মাতৃভাষা ছাড়া অন্য সকল ভাষা শেখার ক্ষেত্রে মানুষ নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শিক্ষক। এক্ষেত্রে সেই অতি পরিচিত পদ্ধতি যেভাবে মাতৃভাষা শিখেছেন, সেভাবেই ইংরেজিও শিখতে হবে। না হলে এতদিন যেভাবে ব্যর্থ হয়ে এসেছেন সেভাই ইংরেজিতে ব্যর্থ হতে হবে।
দুটি জিনিস খুবই জরুরি
ইংরেজি ভাষা শেখার ক্ষেত্রে দুটি জিনিস খুবই জরুরি। আর তা হল যত বেশি সম্ভব ইংরেজি শুনতে হবে, শুনে যত বেশি সম্ভব ব্যবহার করতে হবে। কারন এ দুটির মাধ্যমেই শিশু মাতৃভাষা শেখে। আমরা শুধু ইংরেজি পড়ি এবং লিখি এর কোনটিই কিন্তু শিশু করে না। একটা বিষয় আমাদের অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল ইংরেজি শোনা এবং তা ব্যবহার করা। আমরা শুধু ইংরেজি পড়ি এবং লিখি এর কোনটিই কিন্তু শিশু করে না। এগুলো করার আগেই সে ভাষা ব্যবহার করা শিখে পেলে। আমাদের শিশুদের মত শূণ্য থেকে ভাষা শিক্ষা শুরু করতে হবে না। আমরা অলরেডি কিছুটা জানি এবং ইংরেজি শেখার জন্য আমাদের বেশি সময় ব্যয়ও করতে হবে না।
ইংরেজি ভাষা শেখার ক্ষেত্রে দুটি জিনিস খুবই জরুরি। আর তা হল যত বেশি সম্ভব ইংরেজি শুনতে হবে, শুনে যত বেশি সম্ভব ব্যবহার করতে হবে। কারন এ দুটির মাধ্যমেই শিশু মাতৃভাষা শেখে। আমরা শুধু ইংরেজি পড়ি এবং লিখি এর কোনটিই কিন্তু শিশু করে না। একটা বিষয় আমাদের অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল ইংরেজি শোনা এবং তা ব্যবহার করা। আমরা শুধু ইংরেজি পড়ি এবং লিখি এর কোনটিই কিন্তু শিশু করে না। এগুলো করার আগেই সে ভাষা ব্যবহার করা শিখে পেলে। আমাদের শিশুদের মত শূণ্য থেকে ভাষা শিক্ষা শুরু করতে হবে না। আমরা অলরেডি কিছুটা জানি এবং ইংরেজি শেখার জন্য আমাদের বেশি সময় ব্যয়ও করতে হবে না।
কিছু সহজ পদ্ধতি মেনে চললে আপনিও পারবেন ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলতে। ইংরেজি পত্রিকা পড়বেন। ইংরেজি গান শুনতে পারেন। মজার মজার ইংরেজি অনুষ্ঠান, সিনেমা দেখবেন। ঘরে ইংরেজি বই, পোস্টার লাগাবেন, ইংরেজি সিডি রাখবেন। টিভি সিরিজ এবং মুভি শুধু ইংরেজি শব্দভাণ্ডারই বাড়ায় না বরং ইংরেজিতে কথা বলাও সহজ করে। ইংরেজিতে কথা বলতে চাইলে ইউটিউব ব্যবহার করতে পারেন। সেখানে অনেক ভিডিও পাওয়া যায়। শব্দ খুঁজতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। রাস্তাঘাটে বা চলতি পথে ফোন ডিকশোনারী ব্যবহার করা যায়। তবে বাসায় কাগজে লেখা ডিকশোনারী বই ব্যবহার করবেন। নতুন শেখা শব্দটা চিহ্নিত করে রাখবেন। অনেক সময় আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নিজের ওপর আস্থার অভাব ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর জন্য অনুশীলন করুন। নিজেকে প্রস্তুত করুন। বিভিন্ন রকম ভিডিও দেখতে পারেন, এতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আপনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলা অনুশীলন করতে পারেন। এতে ভয় কমবে এবং নতুন কোনো জায়গায় খুব সহজেই মিশতে বা কথা বলতে পারবেন। প্রয়োজনে ধীরে বলবো। পরের বাক্যটা বলার আগে একটু চিন্তা করে নিবো। আপনি বিভিন্ন পাঠমূলক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। আপনার পরিবারে পারদর্শী কেউ থাকলে তার সাহায্য নিতে পারেন। মোটকথা, চেষ্টা চালিয়ে যান।
ব্যবসা-বানিজ্য, অফিস-আদালত, এয়ারপোর্ট এমন কোন জায়গা নেই যেখানে ইংলিশ এর ব্যবহার নেই, তাই আমাদেরও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ইংরেজি শিখতে হবে বিশেষ করে ইংরেজিতে কথা বলতে পারতে হবে।
সূত্র: বিডি 24রিপোর্ট
সূত্র: বিডি 24রিপোর্ট

No comments:
Post a Comment