বিয়ের কার্ড বলে দেবে নব দম্পতি সুখী হবে কিনা! - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 2 February 2020

বিয়ের কার্ড বলে দেবে নব দম্পতি সুখী হবে কিনা!




যেহেতু এখন শীতকাল, তাই বিয়ের ধুম পড়েছে চারপাশেই। তাইতো চাহিদা বাড়ছে বিয়ের কার্ডেরও। কারণ বিয়েতে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাতে সব থেকে বেশি প্রয়োজন হচ্ছে কার্ডের।

তবে বিয়ের কার্ড বানানোর আগে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে জরুরি কিছু বিষয়। কারণ জ্যোতিষী ও বাস্তুবিদরা বলছেন, এই বিয়ের কার্ডের মধ্যেও দম্পতির সুখ-দুঃখের ব্যাপার জড়িত আছে। কার্ডই বলে দেবে, দম্পতি সুখী হবে কি-না। আসুন জেনে নেই সেই বিষয়গুলো-


কার্ডের আকৃতি
এখন বিয়ের কার্ডেও আধুনিকতার ছোঁয়া দেখা যায়। ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, লম্বা, গোলাকার ইত্যাদি নানা আকৃতির কার্ড এখন তৈরি করা হয়।। তবে জ্যোতিষী ও বাস্তুবিদরা এটি করতে নিষেধ করছেন বরং প্রথম থেকে যে আয়তাকার কার্ড তৈরি হতো, সেটাই মেনে চলা সঠিক। কারণ অন্য আকৃতি নব দম্পতির জীবনে জটিলতা আনতে পারে। বিশেষভাবে ত্রিভুজ আকারের কার্ড করতে একেবারেই নিষেধ করেছেন।

বর-কনের ছবি
এখন ডিজিটাল কার্ডও তৈরির করা হয়। অর্থাৎ কার্ডে ডিজিটালি ডিজাইন করা হয়। আর সেখানে থাকে বর-কনের প্রি ওয়েডিং শ্যুটের কিছু ছবি। এটা করতেও নিষেধ করা হয়। একসময় প্রচলন ছিল, বিয়ে ঠিক হয়ে গেলে মেয়েকে আর বাড়ি থেকে বের হতে দেওয়া যাবে না। সে সূত্র ধরেই ছবি দিতে নিষেধ করা হয়। এতে মন্দ লোকের কুনজর পড়তে পারে বর-কনের ওপর।


কার্ডের রঙ
বিয়ের কার্ড সাধারণত সোনালি এবং লাল রঙের বানানোই ভালো। কার্ডটি যেন কোনভাবেই ধূসর রঙের না হয়। বিশেষ করে কালো ও ছাই রঙ একেবারেই ঠিক নয়। কারণ এ রঙ পরবর্তীতে বৈবাহিক জীবনে সমস্যার সৃষ্টি করবে। বিয়ের কার্ডের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো যেকোন উজ্জ্বল ও ঘন রঙ। এক্ষেত্রে লাল, নীল, বেগুনি রঙ বেছে নিতে পারেন।

হিন্দুধর্মীয় ছবি
হিন্দু ধর্মের অনেকেই বিয়ের কার্ডে দেবতার ছবি দেন। এক্ষেত্রে গণেশের ছবি দেওয়া খুব ভালো। কিন্তু নৃত্যরত গণেশের ছবি শুভ নয়। তবে রাধা-কৃষ্ণ, নৃত্যরত শিব ও নটরাজের ছবি দেওয়া যাবে না। কারণ রাধা-কৃষ্ণের কোনদিন মিলন হয়নি। আর নৃত্যরত শিব ও নটরাজের ছবি তাদের রাগান্বিত রূপ। তাই এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।

সুগন্ধি কাগজ
বিয়ের কার্ডে চন্দন, গোলাপ ও জুঁইয়ের সুগন্ধ মাখা কাগজ ব্যবহার করতে পারেন। এ ফুলের গন্ধ সব রকমের অশুভ শক্তি বিনাশ করে। অতিথির কাছেও তা গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।






সূত্র: নোয়াখালী সমাচার

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad