নিজস্ব সংবাদদাতাঃ সকালে নিউ টাউন ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণ সেরে নিউটাউনের জ্যোতিনগরে চা চক্রে আসে দিলীপ ঘোষ। তিনি জানান..........
কত দিন অত্যাচার সহ্য করবো। কি পাপ করেছি আমরা। আজ তাদের নাগরিকত্ব দিচ্ছি তাই এদের বুক ফেটে যাচ্ছে। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। *ভারতীয় জনতা পার্টি বলেছে আইন পাশ করিয়েছে সারাদেশে লাগবে। পশ্চিমবাংলায়ও লাগবে কোন বাপের ব্যাটার হিম্মত নেই যে আটকায়।* কেন্দ্রীয় সরকার জায়গায় জায়গায় বুথ লাগাবে আপনাদের গিয়ে ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। দু-তিন মাস, চার মাস সময় নেবে সবাইকে ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। তার জন্য কিছু লাগবে না আপনি ফর্মে লিখে দেবেন আপনার নাম, বাবার নাম, বাংলাদেশে কোথায় বাড়ি ছিল আর কবে এদেশে এসেছেন। যে দিনটা বসিয়ে দেবেন সেই দিন থেকে আপনি নাগরিক। অনেক লোককে ইচ্ছা করে কেস দিয়ে আটকে রেখেছে। বাংলাদেশ থেকে ঢুকে পড়েছে কেস, সব কেস ডিসমিস হয়ে যাবে। কোনও কেস থাকবে না। যারা আজকে কষ্ট পাচ্ছেন আমাদের বাঙ্গালীদের আনন্দের দিনে তারা চিনে রাখুন আসছে সময়, এদের জবাব দিতে হবে ২১ সালে ভোট আসছে সেই ভোটের হিসাব দিন যারা হিন্দু বাঙালির বিরোধিতা করেছেন।
দিলীপ ঘোষ.......
ওপার থেকে যে মুসলমান অনুপ্রবেশকারীরা এসেছে, এখানে ভোটার হয়েছে যাদের ভোটে কংগ্রেস সিপিএম তৃণমূল সরকার গড়েছে তাদের বাঁচাবার চেষ্টা হচ্ছে। তারা কেন এসেছে তাদের আলাদা দেশ দিয়ে দিয়েছিলাম, ওরা বলেছিল মুসলমান হিন্দুরা এক জায়গায় থাকবো না, আমাদের আলাদা দেশ চাই, পাকিস্তান দিয়ে দিয়েছিলাম। আমাদের ওখান থেকে তাড়িয়ে দিল তারপরে ওখান থেকে এখানে ঢুকেছে ২ কোটি লোক । এক কোটি লোক পশ্চিমবাংলায় আছে, শুধু আছে নয় দু টাকা কেজি চাল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার সেটাও খেয়ে নিচ্ছে অর্ধেক, বাড়ি তৈরি করে দিচ্ছে সেটাও নিয়ে নিচ্ছে, আবাস যোজনার টাকা , গ্যাস, পায়খানা তৈরির টাকা নিয়ে নিচ্ছে। কেন নেবে ওখানে তো দেশ দিয়ে দিয়েছে ওখানে থাকো না , এখানে এসে উৎপাত। আর তাদের সাহায্য করছে সিপিএম, কংগ্রেস, টিএমসি। কারণ ওদের ভোটে ওরা সরকার গড়তে চায়। আর যেই আইন হয়েছে দেখেছে দেশ থেকে ভেঙে দিচ্ছে বাস জ্বালিয়ে দিচ্ছে, ট্রেন জ্বালিয়ে দিচ্ছে। ভারতবর্ষের কোন লোক এমন ক্ষতি করতে পারে! এরা সব বাংলাদেশি মুসলমান।

No comments:
Post a Comment