শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্বে ৮ জানুয়ারি দেশ জুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 7 January 2020

শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্বে ৮ জানুয়ারি দেশ জুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক





সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) এবং জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি ) বাতিলসহ ১৬ দফা দাবিতে আগামীকাল বুধবার সারা ভারতে ২৪ ঘণ্টার সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ১০টি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন। এই ধর্মঘটে সমর্থন দিয়েছে বঙ্গের ১৭টি বাম দল সহ ৬০টি বামপন্থী ছাত্রসংগঠন, ১৭৫টি শ্রমিক সংগঠন। ধর্মঘট সফল করতে দেশজুড়ে বিরোধী দলের প্রচারণা তুঙ্গে।

তবে কংগ্রেস এবং বাম দল তৃণমূলকে এই ধর্মঘটে শামিল হওয়ার আবেদন জানালেও তাতে সায় দেননি তৃণমূলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ধর্মঘটের ইস্যুকে সমর্থন করলেও তৃণমূল ধর্মঘট সমর্থন করে না।


এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্তের দাবিতে দক্ষিণ ভারতের সাংবাদিক ভারাকি সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা করেছেন। গতকাল সোমবার এই মামলা করা হয়। আবেদনে তিনি বলেন, ‘মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট মমতাকে সংবিধানবিরোধী কাজের জন্য অবিলম্বে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিক।’ তিনি বলেন, মমতা দেশের অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বকে বিশ্বাস করেন না। যে শপথ নিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছিলেন, এই বক্তব্যের ফলে সেই শপথবাক্য তিনি ভেঙেছেন। তাই দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তাঁকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হোক ।

প্রথম থেকেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করছেন মমতা। অবিলম্বে এই আইন বাতিলেরও দাবি তোলেন তিনি। গত ১৯ ডিসেম্বর মমতা বলেছিলেন, ‘যদি বিজেপির সাহস থাকে, তাহলে জাতিসংঘের তদারকিতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে গণভোট করে দেখাক। এই ভোটে যদি শাসকদল হেরে যায়, তবে বিজেপি সরকার থেকে সরে যাক।’ ওই দিন মমতা প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে বলে যা খুশি করতে পারেন না। সবাইকে আপনারা ভয় দেখিয়ে রেখেছেন।’

পরে অবশ্য নিজের ওই মন্তব্যের বিষয়ে মমতা বলেন, তিনি গণভোটের কথা বলেননি। বলেছিলেন জরিপের কথা।




সূত্র: প্রথম আলো

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad