তা সে যাই বলুন, মেয়ে হয়ে জন্মানোর অনেক জ্বালা। হতে পারে মেয়েরা সুন্দরী, মেয়েরা অনন্যা, হতে পারে তারা ডেলিকেট ডার্লিং। কিন্তু মেয়ে হওয়া পীড়াদায়ক। নিঃসন্দেহে। আর এটি বেশিরভাগ রমনীরই ধারণা। কেন? জেনে নিন উদ্ভট কারণ কিছু---
পিরিয়ড কেন হয়
– ছেলেদের হয় না কেন? মেয়েদেরই হয় কেন? মাসের ওই পাঁচটি দিন এই প্রশ্ন মাথায় আসবেই।
একটাও জামা নেই
– দু-তিনটে আলমারি ভর্তি জামা। তাও মনে হয় একটাও জামা নেই। মেয়েদেরই এই সমস্যাটা হয়। ছেলেদের হয় না। এর কারণ মেয়েরা একই জামা পরপর দু-দিন পরলে সবাই ভাবতে শুরু করে তার একটাও জামা নেই।
মুড সুইং
– এখনই ভালো, এখনই খারাপ। এর জন্য দায়ি হরমোন।
ওয়্যাক্সিং
– শরীরের অবাঞ্ছিত লোম তোলার ঝকমারি পোহাতে হয়ে কেবল মেয়েদেরই।
প্রসব যন্ত্রণা
– সবচেয়ে মারাত্মক জ্বালা। সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রচন্ড কষ্টটাও মেয়েদের একাকেই পোহাতে হয়।
স্বাধীনতা ও প্রেমিক, কাকে বাছবে
– নারীর ধারণা, পুরুষ সম্পর্কে থেকেও স্বাধীন থাকতে পারে। মেয়েরা তা পারে না। কেননা, যে মেয়ে স্বাধীনচেতা সে কোনওভাবেই সম্পর্কের বাঁধনে থাকতে চাইবে না। এদিকে একাকিত্বও তার পছন্দ নয়। ফলে প্রেমিক চাই। কী যে সে চায়, কী যে চায় না, এই নিয়ে সে নিজেও দোলাচলে। বাকিরাও। স্বাধীনতা ও সম্পর্কের মধ্যে কোনটা বেছে নেওয়া উচিৎ, সেটাই জানে না সে।
স্তন
– পছন্দ হলেও বারবার মনে হয় বুকের মধ্যে এই যে বাড়তি মাংসপিন্ড, তা কেবল মেয়েদেরই কেন থাকে। এর জন্য অনেক বিধি, অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়। কেন যে খোলা বুকে ঘোরা যায় না, প্রশ্ন জাগে প্রত্যেক মেয়ের মনে।
যেখানে সেখানে বোতাম খোলা যাবে না
– ছেলেরা চাইলেই সবার সামনে শার্টের বোতাম খুলে ফেলতে পারে। কিন্তু মেয়েরা তা পারে না। ওই যে, দুটি স্তন বেরিয়ে পড়বে!
দেওয়ালের গায়ে প্রস্রাব নয়
– ছেলেরা কিন্তু দিব্যি দেওয়ালের গায়ে প্যান্টের জ়িপ খুলে দাঁড়িয়ে পরতে পারে। মেয়েরা পারবে, রাস্তায় বসে পড়তে?
সূত্র: বিডি টিপস্

No comments:
Post a Comment