যোনিদ্বার বা ভালভা এবং ক্লিটোরিস উত্তেজিত করেই মূলতঃ মেয়েরা হস্তমৈথুন করে থাকে। হাতের একটি বা দু্টি আঙ্গুল বুলিয়ে (বা ঘষে) সহজেই ভালভা এবং ক্লিটোরিস উত্তেজিত করা যায়। অনেকে আবার যোনির মধ্যে আঙ্গুল বা অন্য কিছু যেমন ডিলডো, ভাইব্রেটর (এমনকি বেগুন!) প্রবেশ করিয়ে যোনির সামনের দেওয়ালে অবস্থিত G-spot উত্তেজিত করেও হস্তমৈথুন করে।
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত যেহেতু অনেক সংস্কৃতিতে মেয়েদের সতীচ্ছদ বা হাইমেনের উপস্থিতি তার কুমারীত্বের প্রমান হিসেবে গন্য করা হয়, তাই অবিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে যোনির মধ্যে কোন কিছু প্রবেশ করানো ভবিষ্যতে বিয়ের পথে অন্তরায় হতে পারে। এইসকল ক্ষেত্রে হস্তমৈথুনের প্রকৃষ্ঠ উপায় ক্লিটোরিসে আঙ্গুল বুলিয়ে বা আঙ্গুল দিয়ে ঘষে উত্তেজিত করা। সত্যি কথা বলতে যোনির মধ্যে কোন কিছু প্রবেশ করিয়ে হস্তমৈথুনের তুলনায় ক্লিটোরিস উত্তেজিত করে হস্তমৈথুন করলে অর্গ্যাজমের সম্ভাবনা অনেক বেশি।
হস্তমৈথুনের সময় এমনিতেই যৌনাঙ্গ দিয়ে একধরনের তরল ক্ষরিত হয়, যা লুব্রিকেন্ট হিসেবে কাজ করে। প্রয়োজনে নিজের লালারস কিংবা ভেসলিন জাতীয় লুব্রিকেন্টও ব্যবহার করা যায়। সাধারণত মেয়েরা বিছানায় চিৎ হয়ে শুয়ে হস্তমৈথুন করে। তবে ইচ্ছে হলে বসে বা দাঁড়িয়ে, নিলডাউন করে, স্নান করার সময় ইত্যাদি যেভাবে সুবিধে হস্তমৈথুন করতে পার। এমনকি দেখা গেছে জামা কাপড় পড়া অবস্থায় বিছানায় উল্টো হয়ে শুয়ে দুটো ঊরুর মাঝে বালিশ রেখে সেখানে যৌনাঙ্গ ঘষে বা দাঁড়ানো অবস্থায় টেবিল ইত্যাদির প্রান্তের সাথে যৌনাঙ্গ ঘষেও মেয়েরা হস্তমৈথুন করতে পারে।
দুটো উরু ক্রস করে চেয়ারে বসে (এক উরুর উপর অপর উরু তুলে বসে) যদি পায়ের পেশী সংকুচিত করার চেষ্টা করা হয় তাহলেও অনেকের যৌন আনন্দ লাভ হয়। অনেকে আবার হস্তমৈথুনের সময় স্তনের চুচুকও উত্তেজিত করে থাকে। মোদ্দা কথা নিজের যৌনাঙ্গ কিভাবে উত্তেজিত করলে সবথেকে বেশি আনন্দ লাভ হয়, সেটা নিজেকেই খুঁজে বের করতে হবে। আর হস্তমৈথুনের মাধ্যমে এই ভালোলাগার উপায় খুঁজে বের করতে পারলে তা সত্যিকারের মৈথুন বা যৌসঙ্গমের সময় অনেক কাজে লাগে। তবে একটু ধীরে সুস্থেই হস্তমৈথুন করা উচিৎ, নচেৎ যৌনাঙ্গে আঘাত লাগতে পারে।
সূত্র: বিডি টিপস্

No comments:
Post a Comment