জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বুঝতে অনেক বেশি ডিগ্রির প্রয়োজন হয় না: গ্রেটা থানবার্গ - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 25 January 2020

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বুঝতে অনেক বেশি ডিগ্রির প্রয়োজন হয় না: গ্রেটা থানবার্গ




বিশ্বজুড়ে সাড়াজাগানো জলবায়ু কর্মী সুইডিশ কিশোরী গ্রেটা থানবার্গ বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বুঝতে অনেক বেশি ডিগ্রি অর্জন করতে হয় না। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন নাচিনের করা মন্তব্যের জবাবে একথা বলেন তিনি। স্টিভেন বলেছিলেন, গ্রেটার অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করা উচিৎ। তাহলে তিনি বুঝবেন যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে কি সম্পর্কিত রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ২০১৮ সালে প্রতি শুক্রবার সুইডিশ পার্লামেন্টের বাইরে অবস্থান নেওয়া শুরু করেন স্কুলছাত্রী গ্রেটা থানবার্গ। তার এই অবস্থানের মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে বেগবান হয় জলবায়ু আন্দোলন। তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে দুনিয়াজুড়ে এই আন্দোলনে শামিল হন লাখ লাখ মানুষ।

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে চলমান বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্মেলনে মার্কিন অর্থমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে থানবার্গ যে জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে কথা বলছেন তা নিয়ে তার মন্তব্য কি। জবাবে তিনি বলেন, ‘তিনি কি প্রধান অর্থনীতিবিদ। আমি আসলে জানি না। সে কলেজে গিয়ে অর্থনীতি পড়াশোনা শেষ করুক। তারপর এসে আমাদের বুঝিয়ে বলুক।’

স্টিভেন নাচিন নিজে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতির ওপরে স্নাতক করেছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের জলবায়ু নিয়ে অবস্থান আর গ্রেটার সমালোচনাকে আসলে ভুল বোঝা হচ্ছে। মার্কিনর নীতির ভুল উপস্থাপন হচ্ছে তার দাবি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশুদ্ধ জল ও সুস্থ পরিবেশ চান।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেন, তারা মনে করেন না জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তাদের খুব অল্প সময় রয়েছে। তার মতে, মানব সভ্যতার সামনে আরও বড় বড় হুমকি রয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরমানু বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে। গ্রেটাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘এই তরুণের বুঝতে হবে যে জলবায়ু এমন একটি বিষয় যা অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সমন্বয় করেই উপস্তাপন করতে হবে।

তবে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল গ্রেটার পক্ষ নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দাভোসে সবাই প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র সেখান থেকে বেরিয়ে গেছে। সময় কমে আসছে। আমার বয়স ৬৫ বছর বয়স। আমাদের বড়দেরই নিশ্চিত করতে হবে যে তরুণরা যেন ইতিবাচক ও
গাঠনিকভাবে কাজ করতে পারে।






সূত্র: দৈনিক পূর্বকোণ

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad