এ দেশে যৌনতা নিয়ে সব কিছু হয়, শুধু আলোচনাটাই হয় না। ফলে শঙ্কা থাকে হাজার রকম। বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে। অধিকাংশ পুরুষই অবশ্য এ বিষয়ে অনেকটা এগিয়ে। কৈশোরে পা দেওয়া মাত্রই, রতিলীলা সংক্রান্ত নানাবিধ প্রশ্ন দূর করতে তাঁদের গোপন প্রয়াস অনেক কিছুর উত্তর এনে দেয়। কিন্তু পিছিয়ে পড়ে নারীকুল।
পরবর্তীকালে সমস্যা হয়েছে একাধিক। আরে বাবা, থিওরি জানা না থাকলে প্র্যাকটিক্যালটা জমে? ফলে ভরা যৌবন নিয়েও ফেল করেন তাঁরা। তা যে সবসময় নারীর অক্ষমতা তাও কিন্তু নয়। পুরুষের মধ্যেও অনেকরকম ক্রটি থাকে। ফলে নারীপুরুষের মিলনসুখকে আরও মাখোমাখো করতে রইল কয়েকটি টিপস্। নারীদের যৌনতাকে আরও একটু চাঙ্গা করতেই এই প্রয়াস -
যৌনতার ক্ষেত্রে রতিলীলার পাশাপাশি আরও কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। সমস্যাগুলো পুরোপুরি শারীরিক না হলেও, বেশিরভাগটাই মানসিক। সেগুলি কী কী জেনে নিন।
১. সঙ্গীর মনে ভয়, আপনাকে তৃপ্ত করতে পারবেন তো?
- অনেক পুরুষের মধ্যেই এই আশঙ্কা কাজ করে। প্রেমিকা যদি যৌনভাবে তাঁর চেয়ে বেশি সক্রিয় হন, মনে মনে হিনমন্যতা কাজ করতে শুরু করে। কিন্তু ইগো রক্ষার তাগিদে পুরো দোষাই চাপিয়ে দেন প্রেমিকার উপর।
সমাধান: বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেবেন না। একেবারেই নিরাশ হবেন না। তবে হাসাহাসিও করবেন না। সঙ্গীকে বুঝিয়ে দেবেন, এটা নিয়ে বেশি মাথা ঘামানোর কিছু নেই।
২. সঙ্গীকে বোঝাবেন না আপনি সেই মুহূর্তে যৌনতার জন্য তৈরি নন
- এমনটা হতেই পারে আপনি সেই সময় যৌনতার জন্য প্রস্তুত নন। হতেই পারে আপনার মুড নেই। কিন্তু আপনার প্রেমিকের মধ্যে মিলনের তীব্র ইচ্ছে জেগেছে।
সমাধান: এমনটা হলে কিন্তু নিজের অনিচ্ছার কথা জাহির করে বসবেন না। শরীর খারাপ হলে সেটি ভালো করে বুঝিয়ে দিন। প্রেমিকও আপনার সমস্যাকে আমল দেবেন। কিন্তু চেষ্টা করবেন নিজের মুডকে গুলি মেরে প্রেমিককে খুশি করতে। আপনিও যে আনন্দ পেয়েছেন, সেটাও তাঁকে বুঝিয়ে দিন। এতে সম্পর্কটা আরও ভালো হবে।
৩. নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে কমিটমেন্টের কন্ডিশনটা ভিন্ন
- নারীকে মানসিকভাবে তৃপ্ত করতে পারলে তিনি কমিটেড হওয়ার দিকে এগিয়ে যান। কিন্তু পুরুষের বেলায় বিষয়টা ঠিক উল্টো। মানসিকভাবে কাছাকাছি আসতে তাঁকে শারীরিকভাবে তৃপ্ত করাটা জরুরি।
সমাধান: আড়ষ্টতা কাটিয়ে আপনিও কিছুটা এগিয়ে আসতে পারেন। বোঝাতে পারেন, শারীরিক মিলনে আপনার খুব একটা আপত্তি নেই। তবে সেটা প্রথম ডেটেই প্রকাশ করে বসবেন না। বুমেরাং হয়ে যাবে। দিন যাক। খানিকটা ভালো সময় কাটিয়ে যখন একে অপরকে অনেকটা চিনে ফেলবেন, নিজে থেকেই এগিয়ে যেতে পারেন। আপনার এই প্রগতিশীল মনোভাব সঙ্গীকে তৃপ্ত করবেই।
৪. পুরুষও তাঁদের শরীর নিয়ে সচেতন
- মহিলাদের মতো না হলেও, পুরুষরাও কিন্তু তাঁদের শরীরের গঠন নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন। নারীকে কীভাবে ইনপ্রেস করা যায়, তা নিয়ে শারীরিক কসরত করতে দু-বার ভাবেন না। সিক্স প্যাক, এইট প্যাকও বানিয়ে ফেলেন প্রেমিকার জন্য।
সমাধান: সম্পর্ক মধুর করতে চাইলে প্রেমিকের মনে এই ধারণা তৈরি করুন, যে আপনি তাঁর শরীরের গঠন ও রূপের চেয়ে ব্যক্তি মানুষটিকে অনেক বেশি ভালোবাসেন। শরীরটা সেকেন্ডারি বিষয়।
৫. চিট করলে পুরুষ সেই নারীকে মন থেকে ক্ষমা করতে পারেন না
- অন্য পুরুষের সঙ্গে মিলনে লিপ্ত হয়ে প্রেমিকের কাছে ধরা পড়ে গেলে কিন্তু ভাববেন না আপনি পার পেয়ে গেলেন। প্রেমিক আপনার এই বিশ্বাসঘাতকতাকে কোনও দিনই মন থেকে ভুলে যেতে পারবেন না। নারীর বিষয় পুরুষের কাছে সততা সবচেয়ে আগে গুরুত্ব পায়।
সমাধান: প্রাণের পুরুষটিকে প্রেমে ভরিয়ে রাখতে সর্বদা তাঁর প্রতি সৎ থাকুন। শুধু তাই নয়, সকলের সামনে তাঁকে বাহবা দিন। যে কোনও কাজে তাঁর পাশ এসে দাঁড়ান। তা হলেই আজীবন থেকে যাবে আপনাদের প্রেম।
সূত্র: দৈনিক আমার সংবাদ

No comments:
Post a Comment