টমেটো পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুবই কম। অনেকেই হয়তো জানেন না যে, ১৮৯৩ সালে টমেটোকে ফল ও সবজি উভয় আওতায়ই রাখা হয়েছে। টমেটো রান্না করেও খাওয়া যায়। আবার পাকা টমেটো সালাদ করেও খাওয়া হয়। আজকাল টমেটো সারাবছরই পাওয়া যায়। জেনে নিন এর কিছু পুষ্টিগুণ--
পাকা টমেটোর চেয়ে কাঁচা টমেটোতে ভিটামিন-সি, আয়রন, খনিজ পদার্থ ও খাদ্যশক্তি বেশি থাকে। পাকা টমেটো লবণ ও গোলমরিচ দিয়ে ফল হিসেবে খাওয়া যায়।
এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ, বি, সি, ডি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, সালফার ও অন্যান্য খনিজ উপাদান রয়েছে। কাঁচা ও পাকা টমেটো রান্না করা ছাড়া খেলে এর পুষ্টিগুণ বহাল থাকে বেশি।
টমেটোতে থাকা ভিটামিন-সি দাঁত ও মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করে। স্কার্ভি রোগ সারায়, শিশুদের শরীরের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
নিয়মিত দু-একটি করে টমেটো খেলে রক্তের কণিকা বৃদ্ধি পায়, রক্তশূন্যতা রোধ হয়। রক্ত পরিষ্কার থাকে।
ত্বক সতেজ, কোমল ও উজ্জ্বল হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
টমেটো খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। এটি রাতকানা প্রতিরোধ করে।
ডায়াবেটিস রোগীর জন্য টমেটো অত্যন্ত উপকারী। এটা রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, দুর্বলতা কমায়।
নিয়মিত টমেটো খেলে রক্ত সঞ্চালন ভালো থাকে, উচ্চ রক্তচাপের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়, ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস করে।
টমেটোতে রয়েছে লাইকোটিন নামক শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা প্রোস্টেড ও ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
সূত্র: সমকাল

No comments:
Post a Comment