ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলা মানে সময় নষ্ট করা: গ্রেটা থানবার্গ - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 30 December 2019

ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলা মানে সময় নষ্ট করা: গ্রেটা থানবার্গ





সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থানবার্গ বলেছেন, 'বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলা মানে সময় নষ্ট করা। ফলে তার পেছনে আমি সময় নষ্ট করবো না।' সোমবার যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম বিবিসি-র এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ইতোপূর্বে গ্রেটা থানবার্গকে বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত করাকে হাস্যকর হিসেবে আখ্যায়িত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এদিন নিজের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণকেই হাস্যকর হিসেবে আখ্যায়িত করেন দুনিয়া জুড়ে পরিবেশ আন্দোলনের মুখপাত্রে পরিণত হওয়া ১৬ বছরের এ কিশোরী।

২০১৫ সালে বৈশ্বিক উষ্ণতা সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন ট্রাম্প। গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘে ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক এক সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প যখন তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন, তখন এ কিশোরীর চোখ রক্তবর্ণ ধারণ করে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি গিফে দেখা যায়, গ্রেটা যেভাবে চোখ পাকিয়ে দেখছিলেন ট্রাম্পকে, যেন দৃষ্টির আগুনে পুড়িয়ে ফেলবেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে।

ট্রাম্পের সঙ্গে কথা হলে কী বলবেন? বিবিসি-র এমন প্রশ্নের উত্তরে গ্রেটা বলেন, সত্যিই আমি মনে করি না যে, আমাকে কিছু বলতে হবে। কেননা স্পষ্টতই তিনি বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের কথা শুনছেন না। তাহলে আমার কথা তিনি কেন শুনবেন? ফলে আমি হয়তো কিছুই বলবো না। নিজের সময় নষ্ট করবো না।

১৬ বছরের এই কিশোরী প্রথম সবার নজরে আসেন গত জানুয়ারিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে দেওয়া তার বক্তব্যের পর। তিনি বলেছিলেন, ‘এমনভাবে ব্যবস্থা নিন, যেন বিপদে পড়েছেন। আমি চাই আপনারা এমনভাবে পদক্ষেপ নিন, যেন আমাদের বাড়িতে আগুন লেগেছে। কেননা সেটাই হয়েছে।’

গ্রেটা থানবার্গ বলেন, ‘বড়রা বলবে, আমরা তরুণ প্রজন্মকে আশা দেবো। কিন্তু আমি আপনাদের আশা চাই না। আমি চাই ন‌া আপনারা আশাবাদী হোন। আমি চাই আপনারা আতঙ্কিত হোন। আমি রোজ যেটা অনুভব করি, চাই আপনারাও সেটা অনুভব করুন। তারপর আপনারা ব্যবস্থা নিন।’

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ২০১৮ সালে প্রতি শুক্রবার সুইডিশ পার্লামেন্টের বাইরে অবস্থান নেওয়া শুরু করেন স্কুলছাত্রী গ্রেটা থানবার্গ। তার এই অবস্থানের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জুড়ে বেগবান হয় জলবায়ু আন্দোলন। তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে দুনিয়া জুড়ে এই আন্দোলনে শামিল হন লাখ লাখ মানুষ।







সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad