জীবনে চলতে হলে অবশ্যই আপনাকে আপনার স্ত্রীর সুখের বিষয়টি ভেবে দেখতে হবে। নতুবা সংসারে শান্তি আসবে না। আপনি যদি আপনার স্ত্রীকে কোন গিফট দিয়ে সুখে রাখতে চান, তাহলে বিষয়টা ক্ষণস্থায়ী। আপনাকে সবসময়ই মনে রাখতে হবে স্ত্রীকে দীর্ঘ মেয়াদি সুখে রাখার পরিকল্পনা করুন। এতে সর্ম্পকে কখনও নড়বড়ে হবে না।
অভিজ্ঞরা বলে থাকেন, বিশেষ করে বিয়ের পর যৌনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারও মনোযোগ আকর্ষণ করে ঘর বাঁধা যায়, কিন্তু বিছানার সর্ম্পক সঙ্গীর মন মতো না হলে সে সর্ম্পক কখনই মধুর হয় না। যৌনতার দিক দিয়ে যারা আকর্ষণীয়, অন্য অনেক দিক হতে পিছিয়ে থাকলেও দিব্যি সংসার চলে যায়। কিন্তু মজার বিষয় হলো এ ব্যাপারে উদাসীন হলে সংসার চালিয়ে নিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন স্ত্রী।
তারা আরও বলেন, যৌনতার ফলে একে অন্যের প্রতি অন্যরকম একটি আকর্ষণ অনুভব করেন। ফলে সর্ম্পক অনেক গাঢ় হয়ে যায়। যদি এর ব্যঘাত ঘটে, তাহলে সঙ্গী একাকীত্বে ভুগতে পারেন, এমনকি তাকে ছেড়েও চলে যেতে পারেন। কোন নারী তার স্বামীর সাথে যৌন সর্ম্পকে আগ্রহ হারিয়ে ফেললে তার প্রতি ভালোবাসা যেমন উঠে যায়, এমনকি ওই নারী তার স্বামীকে বিশ্বাসও করেন না অনেক সময়।
আর সে কারণে বারবার গুরুত্ব দেন সর্ম্পকটাকে আরও গাঢ় করার ব্যাপারে। তারা সাজেশন দেন, সঙ্গীকে নিজের সামর্থ্য দেখানোয়। কারণ একজন মানুষ নিরাপত্তা চায়, শারীরিক শক্তিসম্পন্ন মানুষ চায় এবং সাহায্যও চায়। আর সে কারণে পুরুষের এসব থাকলে নারী সেটা গভীর মনে পছন্দ করে থাকেন।
স্ত্রীর সাথে হাসিমুখে কথা বলতে হবে। কথা বলার সময় যেন আপনাকে আত্মবিশ্বাসী দেখায়। কারণ, ভীরু-কাপুরষ টাইপের কাউকে সেভাবে পছন্দ করে না নারীরা। তারা চায় তাদের সঙ্গীর প্রতি আস্থা রাখতে। স্ত্রীর কাছে সবসময় সৎ থাকা উচিৎ, কেননা একাবার বিশ্বাস ভেঙ্গে গেলে নারীরা তাকে আর পছন্দ করে না।
স্ত্রীর বিশ্বাসের অমর্যাাদা করলে কখনই তাকে সুখে রাখতে পারবেন না। আপনার সংসার সুখের রাখতে চাইলে এই বিষয়টি মাথায় রেখে চলুন। যখন নতুন কোন পরিকল্পনা করবেন, তা আপনার স্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে করুন এবং কি করবেন সে ব্যাপারে তার কাছে পরামর্শ চাইতে পারেন। একা নিজে থেকে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
(সংগৃহীত)
No comments:
Post a Comment