নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গরিব ঘরে অন্য কিছু না থাকলেও কলার গাছ ঠিকই দেখা যায়। যেকোনো জঙ্গল জীর্ণ এলাকায় প্রাকৃতিকভাবেই কলা গাছের উৎপত্তি দেখা যায়। কলা গাছ যেকোনো মাতিতে কোন প্রকারের পরিচর্যা ছাড়াই বেড়ে উঠতে পারে। কলা সাধারনত দুই ভাবে খাওয়া যায়, কাঁচা কলা রান্না করে, আর পাকা কলা ফল হিসেবে খেয়ে। এছাড়াও কলার মোচা বা ভিতরের থোড়ও অনেকে রান্না করে খেয়ে থাকে। বর্তমান সবজিগুলোর মধ্যে দৃষ্টিনন্দন সবজি কলার মোচা। এর ভেষজ গুন অনেক।
* মেনোপোজ হওয়া নারীদের হাড় মজবুত করতে কলার মোচা কার্যকরী ভুমিকা পালন করে। তাই বয়স্ক নারী-পুরুষ ও বাড়ন্ত শিশু, খোলায়াড় বা যারা শারীরিক পরিশ্রম বেশি করেন তাঁদের জন্য এই সবজি আশীর্বাদস্বরূপ।
* কলা গাছের শিকড় ও মূলও নানান রোগ সারাতে অনেক উপকারী।
* আয়ুর্বেদ মতবাত অনুযায়ী, কলার মোচা সেদ্ধ করে পেঁয়াজ, লবণ ও সরষে তেল দিয়ে ভর্তা করে খেলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে। এটা হজম শক্তিতে, কোষ্ঠকাঠিন্যে, ডায়াবেটিস, বায়ু, পিত্ততে খুবই উপকারী।
* কলার মোচা আয়রনে ভরপুর। আয়রন রক্তের মূল উপাদান হিমোগ্লোবিনকে শক্তিশালী করে। এছাড়াও ত্বক, চুল ভালো রাখতে আয়রন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
* কলার মোচা ভর্তা বা ডালনা নাক দিয়ে রক্ত পড়া কমাতে সাহায্য করে।
* কলার মোচার থোড় রুচি বাড়ায়, ক্ষুধা বৃদ্ধি করে। তাছাড়া মেয়েদের শ্বেত ও রক্তপ্রদর রোগ ভালো করতে সাহায্য করে। থোড় বেটে রস করে চিনি ও মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
* কলায় বিদ্যমান ক্যালসিয়াম, আয়োডিন, ম্যাগনেশিয়ামের উপস্থিতি দাঁতের গথনে সাহায্য করে।
* কলার মোচা রক্ত সল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।
* এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’, যা চোখের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।
* গর্ভস্থ শিশুর প্রায় ৭০ ভাগ মস্তিষ্কের গঠন মায়ের পেটে থাকা অবস্থায় হয়। তাই গর্ভবতী মায়েদের জন্য কলার মোচা অনেক উপকারী।
পি/ব
No comments:
Post a Comment