পাঁশকুড়ায় তৃণমূল নেতা খুনের পুনর্নির্মাণে বিক্ষোভের মুখে পুলিশ - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 8 November 2019

পাঁশকুড়ায় তৃণমূল নেতা খুনের পুনর্নির্মাণে বিক্ষোভের মুখে পুলিশ


তৃণমূল নেতার খুনের ঘটনার পুননির্মাণ করতে গিয়ে বিপত্তি। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় বিক্ষোভের মুখে পুলিশ। ধৃতদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা। কোনওরকমে এলাকা ছাড়ল পুলিশ।

নবমীর রাতে খুন হন পাঁশকুড়ার তৃণমূল নেতা কুরবান আলি শাহ। ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ল পুলিশ। ধৃতকে নিয়ে তড়িঘড়ি এলাকা ছাড়তে বাধ্য হলেন তদন্তকারীরা। ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন মূল অভিযুক্ত বিজেপি নেতা আনিসুর রহমান-সহ ৮ জন। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে তসলিম আরিফ ওরফে রাজা। সে কুরবানের ওপর গুলি চালিয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। বৃহস্পতিবার রাজা ও আনিসুর ঘনিষ্ঠ দীপক চক্রবর্তীকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পুনর্নির্মাণ করতে যায় পুলিশ।প্রথমে মহৎপুরের কাছে কাঁসাই নদীর উপর ব্রিজে নামানো হয় রাজাকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত জানিয়েছে, এই পথ ধরেই মাইশোরার দিকে গিয়েছিল তারা। যেখানে খুন হন তৃণমূল নেতা। এরপর রাজশহরে একটি ফুলের গুদামে নিয়ে যাওয়া হয় ধৃতদের।
পুলিশ সূত্রে খবর, খুনের আগে এখানেই এক রাত কাটিয়েছিল তারা। রাজশহর থেকে সোজা মাইশোরা বাজারে যায় পুলিশের গাড়ি। নবমীর রাতে, যে পার্টি অফিসের মধ্যে কুরবান খুন হন সেখানে নিয়ে যাওয়া হয় রাজা ও দীপককে। পুলিশ সূত্রে দাবি, ধৃতরা জানিয়েছে, কুরবানকে খুন করতে ২টি মোটরবাইকে করে ৫জন গিয়েছিল।তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে কিছুটা দূরে মোটরবাইক দুটিকে পাঁশকুড়ার দিকে ঘুরিয়ে রাখা হয়। যাতে অপারেশন পর সহজেই পালানো যায়। মোটরবাইকে দুই চালক বসেছিল।বাকি তিনজনের মধ্যে একজন পার্টি অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে।এবং রাজা ও আরও একজন ভিতরে ঢুকে কুরবানকে পরপর গুলি করে খুন করে।পালানোর সময় শূন্যে গুলিও ছোড়ে তারা। এদিন পুনর্নির্মাণের সময় ধৃতদের দেখা মাত্রই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নিহতের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা।বিক্ষোভের মধ্যেই কোনরকমে ধৃতদের নিয়ে এলাকা ছাড়ে পুলিশ। এরপর সেখান থেকে রাজশহরের একটি বাগানবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় ধৃতদের।  




source https://www.rarebreaking.com/2019/11/tmc-leader-murder-recconstruction-police-agitation.html

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad