নিজস্ব প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীদেবীর আরাধ্য রূপ হল ‘সন্তানলক্ষ্মী’। এই রূপে দেবীর বাম দিকের কোলে সবসময় একটি শিশুপুত্র বসে থাকে। তাঁর হাতে থাকে একটি লাড্ডু, নয় একটি পদ্মফুল। ধনলক্ষ্মীর স্তব করতে হয় সন্তানলক্ষ্মীর আশীর্বাদ পেতে। এই প্রার্থনা করতে হয় প্রতি বৃহস্পতিবার। এছাড়াও আছে, বীরলক্ষ্মী’ আর দ্বিতীয়টি হল ‘বিজয়লক্ষ্মী’।
অনেক জায়গাতেই বীরলক্ষ্মীকে ‘ধৈর্যলক্ষ্মী’ আর বিজয়লক্ষ্মীকে ‘জয়লক্ষ্মী’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়ে থাকে। এই দুটি রূপেই তাঁদের হাতগুলি নানা অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত। কিন্তু তা সত্ত্বেও চেহারায় তফাৎ তো রয়েছে কিছু— কখনও অস্ত্রে, কখনও বা শাড়ির রঙে। বীরলক্ষ্মী তাঁর ভক্তকে শক্তি, সাহস এবং উদ্যম জোগান, যাতে সে নিজের জীবনের নানা বাধাবন্ধন এবং সমস্যার কাছে হেরে না যায়।
যাতে সে মাথা ঠান্ডা রেখে ধৈর্য সহকারে বীরের মতো সেগুলোকে জয় করতে পারে। আর বিজয়লক্ষ্মী রূপে দেবী তাঁর ভক্তকে অধর্মের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয়লাভ করতে সাহায্য করেন। ভক্ত যাতে তার নিজের শরীরের ভেতরের শত্রু, মানে ষড়রিপুকেও যুদ্ধে হারিয়ে দিতে পারে, তার আশীর্বাদ করেন। বাইরের যুদ্ধ এক রকম। কিন্তু ভেতরের যুদ্ধ বড় কঠিন জিনিস। সেই যুদ্ধে জেতা খুব সহজ নয়। এই বার মা লক্ষ্মীর শেষ যে রূপটি নিয়ে আলোচনা করব, তিনি হলেন ‘বিদ্যালক্ষ্মী’।
পি/ব
No comments:
Post a Comment