নিজস্ব প্রতিনিধিঃ জগৎ শেঠ অল্প বয়সে বিদ্বান হয়ে উঠলে দিল্লীশ্বরের কানে তা পৌঁছয় | তিনি তাঁকে দেখতে চান| এরপর জগৎ শেঠ দিল্লি গেলে রাজা তাঁর কথাবার্তায় খুশি হয়ে তাঁকে দিল্লিতে থাকতে বলেন | জগৎ শেঠও দিল্লিতে থেকে যান | কিছুদিন পরে রাজা তাঁকে বলেন, তোমার উপর আমি অত্যন্ত প্রীত | তুমি যা চাইবে আমি দান করব | তখন জগৎ শেঠ বাড়ি ফিরে মাকে সব বলেন |
বুদ্ধিমতী জননী পুত্রের মঙ্গলের জন্য বলেন, আগে রাজাকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করিয়ে নিয়ে তারপর জানাতে যে কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে দিল্লিতে কোনও গৃহস্থ বাড়িতে যেন আলো না জ্বালায় | রাজার নির্দেশে ওই রাতে কেউ আলো জ্বালালো না | জগৎ শেঠের মা ঘিয়ের প্রদীপ জ্বেলে ঘর আলো করে দরজা খুলে বসে থাকল | যথাসময়ে দেবী এলেন এবং বললেন, আমি খুব পরিশ্রান্ত | আমাকে একটু আশ্রয় দেবে ?
জগৎ শেঠের মা দেবীর ছলনা বুঝতে পারলেন | তিনি দেবীকে ঘরে আশ্রয় দিলেন এবং বললেন, আমি নদীতে স্নান করতে যাচ্ছি | ফিরে না আসা অবধি আপনি এখানে থাকুন | দেবী তাতে রাজি হলেন | এবার জগৎ শেঠের মা নদীতে স্নান করতে গিয়ে প্রাণত্যাগ করলেন | ফলে সেদিন থেকে দেবী জগৎ শেঠের ঘরে থেকে গেলেন | আজও ধন সম্পদের দেবী লক্ষ্মীকে পাওয়ার জন্য গৃহস্থ বাড়িতে সারারাত ঘি-এর প্রদীপ জ্বালানো হয় | তবে ছেলেরা অনেকেই ওই রাতে জুয়া (পাশার পরিবর্তে) খেলে থাকেন |
পি/ব
No comments:
Post a Comment