নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
জল মানেই ‘বুদবুদ-কণা ওঠা’ জলঃ
জার্মানদের কাছে জল মানেই ‘বুদবুদ-কণা ওঠা’ জল, যেটাকে কার্বনেটেড বা সোডা ওয়াটার বলা হয় ৷ আপনার বাড়িতে কোনো অতিথি এলে তাঁকে ‘ট্যাপকল’-এর জল দেয়াকে অভদ্রতা হিসেবে দেখা হয় ৷ অতিথিকে সাধারণত বোতলজাত জল বা বুদবুদ ওঠা জল দিতে হয় ৷ কোনো রেস্টুরেন্টে গিয়ে জল চাইলেও আপনাকে দেয়া হবে ‘স্পার্কলিং ওয়াটার’, মানে বুদবুদ ওঠা জল ৷
প্লিজ মানে ‘হ্যাঁ’, ধন্যবাদ মানে ‘না’ ঃ
ধরুন আপনি জার্মানিতে কোনো বার-এ গিয়ে বিয়ার পান করছেন ৷ ওয়েটার এসে যদি জিজ্ঞেস করে আপনার আরও বিয়ার চাই কিনা – তখন আপনি যদি বলেন ‘ডাংকে’, মানে ধন্যবাদ, তাহলে ওয়েটার বুঝে নেবে যে আপনি আর বিয়ার চান না ৷ কিন্তু আপনি যদি বলেন ‘বিটে’, মানে প্লিজ, তাহলে ওয়েটার বুঝবেন হ্যাঁ, আপনার আরও চাই ৷
দুপুরে গরম, রাতে ঠান্ডাঃ
বাঙালির খাবার যেমন গরম হওয়া চাই, জার্মানদেরও তেমনি ৷ তবে পার্থক্য একটা আছে ৷ জার্মানরা শুধু দুপুরের খাবারটা চান গরম ৷ রাতে কিন্তু তাঁরা ঠান্ডা ব্রেড বা রুটির সঙ্গে শূকরের মাংস, পনির, চিজ বা সবজি দিয়ে খেয়ে ফেলেন ৷ অনেক সময় শেষ পাতে থাকে নানা রকম ফলও ৷
পৃথিবীর যেকোন প্রান্তেই যান না কেন তাদের জীবনধারণের রঙ এক এক ধরনের।
পি/ব
No comments:
Post a Comment