নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ময়ূরেশ্বরের ষাটপলশায় লক্ষীপুজোয় মেতেছে এলাকার হাট ব্যবসায়ীর। ৪৮ টি মাটির পুতুল তৈরি করেছে ব্যবসায়ী সমিতি। শারদোৎসবের পর বাড়তি আনন্দ পাওনা ষাটপলশা লক্ষ্মী পুজো। ১০৪ বছরের প্রাচীন এই লক্ষ্মী পুজো। পুজোর সম্পাদক শ্যামল সিং বলেন, এবছর দুটো থিম নিয়ে আমরা লক্ষী পুজোকে নিয়ে ভাবতে শুরু করি। প্রথমটা পঞ্চপীঠের বীরভূম। জেলার সামাজিক বিষয় ছাড়াও বালাকোটে জঙ্গী হামলা ও তার পরবর্ত্তীতে অভিযান ভিডিও শো করে দেখানো হয়।
এখানে বক্রেশ্বর, কংকালীতলা, নন্দেকেশ্বরী,নলাটেশ্বরী ও ফুল্লরা তলাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পুজোর সভাপতি ঈশ্বর পাত্র বলেন, আমরা পুজো শেষে একসঙ্গে পঞ্চপীঠে ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছি। এছাড়াও থাকছে বীরচন্দ্রপুর, জয়দেব,নিতাই ধাম,শান্তিনিকেতন সহ জেলার বিশিষ্ট জায়গা। তার মতে আমাদের বীরভূম যে প্রকৃত তীর্থভূমি তা একঝলকে গ্রামবাসীদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
তবে পুজো চত্বরে ঘুরে দেখা গেল, শুধু ধর্মীয় কথা নয় এর পাশাপাশি সামাজিক বিষয়েও তারা সচেতন। বৃদ্ধাশ্রমের ছবি ইত্যাদি। কমিটির সহ সভাপতি নিখিল সিংহ,দিলিপ মণ্ডলরা বলেন,লক্ষী পুজোয় আমরা সব উজাড় করে দিই। সে ধন দ্বিগুন করে মা ফেরত দেন। দশ দিন ধরে চলে পুজো। সেই ক’দিনই মেলা বসে পুজোকে ঘিরে। বাজেট প্রায় চারলাখ টাকা। উদ্যোক্তারা জানান,যেহেতু স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিজেরা মিলেই এই উৎসব করে তাই তারা নামমাত্র খরচে তা করে দেয়। আগে কলকাতার যাত্রা, বাউল গান হত।
এখন সামর্থ্যে কুলায় না। তবে যেহেতু এবার বীরচন্দ্রপুর, জয়দেব করা হয়েছে, তাই সেখানে একদিকে হরিনাম, অন্যদিকে বাউলের আখড়া বসান হয়েছে। সেখানে বসেই গান হচ্ছে প্রতিদিন। ষাটপলশার লোকেদের দাবি বাড়িতে মা লক্ষী তাদের একান্ত হলেও এই হাটতলার পুজো তাদের সার্বজনীন।তাই দুর্গা আর কালী পুজোর মাঝের সময়টা কিভাবে পেরিয়ে যায় তা বুঝতে পারেনা কেউ।
পি/ব
No comments:
Post a Comment