প্রেসকার্ড নিউজ ডেস্ক ; দিল্লির সুলতানরা এবং মুঘলরা যখন দক্ষিণে তাঁদের প্রভাব বিস্তার করতে থাকেন, সে সময়ে কর্নাটক, বর্তমান তেলেঙ্গানা, কেরালা ও তামিল নাড়ুর কিছু অংশ এবং মহারাষ্ট্রেরও কিছু ভাগে এ ভাষা ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির বেশ কিছু স্থানীয় শব্দ উর্দুর মধ্যে প্রবেশ করে যাওয়ায় তা আর দিল্লির উর্দু ভাষায় আটকে থাকে না, হয়ে যায় দখনি ভাষা।
১৩২৭ সালে দিল্লির সুলতান মহম্মদ বিন তুঘলক দিল্লি থেকে নিজের রাজ্যের রাজধানী দৌলতাবাদ বা দেবগিরি বা দেওগিরি (বর্তমান ঔরঙ্গাবাদ)-তে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তাঁর সঙ্গে দিল্লির বহু মানুষও ঔরঙ্গাবাদে যান। ১৩৩৪ সালে দিল্লিতে রাজধানী ফিরিয়ে নিয়ে আসেন তিনি। মধ্যবর্তী ৭ বছরে ঔরঙ্গাবাদেও উর্দু ভাষা ছড়িয়ে পড়ে।
সেখানেও বেশ কিছু স্থানীয় শব্দ ঢুকে পড়ে এ ভাষার মধ্যে। চতুর্দশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত দাক্ষিণাত্যে বাহামণি শাসনকালে বিশেষত মহারাষ্ট্র, কর্নাটক এবং বর্তমান তেলেঙ্গানায় উর্দু প্রবাব বিস্তার করতে থাকে এবং অনেকেই স্থানীয় শব্দ সহযোগে উর্দু ভাষা ব্যবহার করতে থাকেন। এ ভাষা ছড়িয়ে পড়ে আহমেদনগর, বিজাপুর, বিদার ও গোলকোণ্ডায়। অধ্যাপক আব্বাসের কথায়, ভারতের বাইরে উর্দুর উৎপত্তির কোনও ঐতিহাসিক প্রমাণ মেলে না।
pb
No comments:
Post a Comment