নিজস্ব প্রতিনিধিঃ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার এমনই একটি তরল যা শরীরচর্চা ,রান্নাবান্না ,রূপচর্চা ক্ষেত্রে লাগে। অ্যাপেল সিডার ভিনিগার হল আপেলের জুস এটা ফারমেন্টেড করে তৈরি হয় অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। অ্যাপেল সিডার ভিনিগার কেনার সময় তার অ্যাসিটিক লেভেল 5 পার্সেন্ট আছে কিনা সেটা দেখে নেবেন।
অ্যাপেল সিডার ভিনিগার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে তবে আনফিল্ডার অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খাওয়াই ভালো। এটা প্রাকৃতিক উপায়ে ফার্মেন্টেশন করে তৈরি করা হয়ে থাকে। অ্যাপেল সিডার ভিনিগার কখনোই ডাইরেক্ট খাওয়া উচিত নয়। এক গ্লাস জলে এক চামচ বা দুই চামচ নিয়ে সেটি ব্যবহার করা যেতে পারে তার বেশি নয়। শরীরে বেশি মাত্রায় গেলে ক্ষতি হতে পারে।
এই ভিনিগার রক্তে সুগারের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। মাসখানেক খাওয়ার পর বোঝা যাবে সুগার লেভেল অনেকটা কমে আসছে। আড়াইশো এমএল জলের মধ্যে দু-চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ঘুমানোর আধঘন্টা আগে রাত্রিবেলা খাওয়া উচিত। খাওয়ার পরে মুখ ভালো করে ধুয়ে নেওয়া উচিত তা না হলে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। সকালবেলা এক গেলাস জলে এক চামচ মিশিয়ে খেলে ওজন কমাতে সাহায্য করে। খিদে কমিয়ে দেয়।
পি/ব
No comments:
Post a Comment