কি ধরনের প্লাস্টিকের বোতলে জল খেয়লে হতে পারে বিপদ - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 7 September 2019

কি ধরনের প্লাস্টিকের বোতলে জল খেয়লে হতে পারে বিপদ






প্রেস কার্ড নিউজ ডেস্ক:  আমরা সাব মানুষী প্লাস্টিকের বোতলে ব্যবহার করে থাকি কিন্তু এইটা কত জনে জানে যে এইটাতে কি কি ক্ষতি হতে তাতে। আজগে আমরা এই নিয়েই কিছু কথা আপনাদের জানাব, তো চলুন জানা যাক-  প্লাস্টিকের বোতলে যদি ত্রিভুজের মধ্যে ‘১’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হল, পাত্রটি পলিথাইলিন টেরেপথ্যালেট জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। তার মানে এই প্লাস্টিকের বোতল মাত্র এক বারই ব্যবহার করা উচিত।




একবারের বেশি এগুলি ব্যবহার করা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। আর যদি পাত্রের নীচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘২’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হল, পাত্রটি ঘন, অস্বচ্ছ পলিথিন বা এইচডিপিই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। ডিটারজেন্ট, শ্যাম্পু, টয়লেট ক্লিনারের বোতল এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি হয়। এগুলিতে খাবার বা পানীয় জল রাখা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। আর যদি ‘৩’ লেখা থাকে তাহলে এই ধরনের পাত্র পলিভিনিল ক্লোরাইড বা পিভিসি দিয়ে তৈরি। খাবারের শক্ত মোড়ক বা রান্নার তেলের পাত্র এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি করা হয়।





একবারের বেশি এগুলি ব্যবহার করা মোটেই ভাল না।  আর পাত্রের নীচে ‘৪’ লেখা থাকলে ,এই ধরনের পাত্র এলডিপিই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। এই ধরনের পাত্রে একাধিকবার পানীয় জল বা খাবার রাখা যেতে পারে। তবে সপ্তাহ খানেকের বেশি ব্যবহার না করাই ভাল। যদি পাত্রের নীচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৫’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হল, এই ধরনের পাত্র ব্যবহার করা একেবারে নিরাপদ। সসের বোতল, জলের বোতল বা সিরাপের বোতল এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। পাত্রের নীচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৬’ লেখা থাকলে তার অর্থ হল, এই ধরনের পাত্র পলিস্টিরিন বা স্টাইরোফোম জাতীয় উপাদান দিয়ে তৈরি।





এই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি পাত্রে খাবার গরম করা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। আর বেশি ব্যবহার না করাই ভাল। যদি পাত্রের নীচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৭’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হল, এই ধরনের পাত্র ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। খাবার বা কোনও রকম পানীয় রাখা একেবারেই উচিত নয়।   প্যাকেজিং ওয়াটারের বোতলগুলির ফাঁকা হওয়ার পরে সেগুলি নষ্ট করে দিতে হয়। কিন্তু অনেকেই তা না করে বোতলগুলি ভবিষ্যতের ব্যবহারের জন্য রেখে দেন। যত সময় যায়, এই ধরনের বোতলগুলির প্লাস্টিকের সঙ্গে জলের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। যাকে বলা হয় ‘লিচিং’।





জলের মধ্যে মেশে প্লাস্টিকের মধ্যে মিশে থাকা রাসায়নিক অংশ। সেই জলই পান করেন মানুষ। সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ না পাওয়া গেলেও এই লিচিং-এর ফলে মানুষের দেহে ক্যানসারের মতো রোগ হওয়ার আশঙ্কাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।  নতুন জলের বোতল কেনার সময়ও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। রোদে বা খোলা জায়গা রাখা জলের বোতল না কিনে দোকানের ভিতরে রাখা রয়েছে, এমন জলের বোতল কেনাই শ্রেয়।






কারণ নতুন জলের বোতল হলেও একটানা রোদ লাগার ফলে সেই বোতলের ভিতরেও লিচিং বা রাসায়নিক বিক্রিয়ার আশঙ্কা থাকে। বোতলের গায়ে আইএসআই ছাপ রয়েছে কি না, তাও দেখে নেওয়া উচিত। আর বাড়িতে বা বাড়ির বাইরে জল পানের জন্য বিশেষ ধরনের প্লাস্টিকের জলের বোতল বাজারে সহজেই পাওয়া যায়। তুলনায় একটু দাম বেশি হলেও, সেই বোতলে জল পান করা উচিত।




কে

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad