গোস্বামী হিরাপুর: নামে একটি অজ গ্রাম আছে যেটি ভুবনেশ্বরে অবস্থিত। গ্রামের ভেতরে বাড়িতে বাড়িতে মাটির দেওয়ালে রংবেরঙের ছবি আঁকা, সুরু মাটির অলিগলি রাস্তা। সেখানে যে এমনতর মন্দির থাকতে পারে কেউ ভাবতেই পারেনা। ভুবনেশ্বরে অনেক জায়গাই তো আপনাদের ঘোরা কিন্তু এই মন্দিরের কথা অনেকেরই অজানা। মন্দিরটির নাম চৌষট্ ষগিনী মন্দির।
মন্দিরটি একটি শান্ত সবুজ গ্রামে অবস্থিত সামনে একটি দীঘি আছে। মন্দিরের সামনে যখন আপনি নামবেন একটি দরগা থেকে ঢুকে যাবেন ভিতরে ।মন্দির বলতে আমরা যা বুঝি সেরকম কিছু নয় । তবে মন্দিরের ভিতরে গোটা দেওয়াল জুড়ে যোগিনী দের মূর্তি।৬৪ যোগিনী মূর্তি এখানে আছে। অবাক করা এতগুলো যোগিনী মূর্তি। এর মাঝেই একটা চৌকো পিলার উঠে গেছে চারজন ভৈরব খোদিত আছে সেখানে। এখানে বলি ৬৪ যোগিনীরএকজন হলেন লেডি গণেশ! যার কথা আমরা শুনিনি পর্যন্ত।
যোগিনী মূর্তিগুলো কিন্তু সূক্ষ্মভাবে গ্রেন করা ধূসর ক্লোরাইডে নির্মিত। সারি সারি কুলাঙ্গিতে এই মূর্তিগুলি খোদাই করা আছে গোল দেওয়ালের মধ্যে। মাঝখানে আছে চণ্ডীমণ্ডপ সেটি মনে হয় নতুন ভাবেই গড়া। সেটাতেও আটটা কুলুঙ্গি আছ ১৯৫৩ সালে এটা আবিষ্কৃত হয়েছিল ।ঐতিহাসিক কেদারনাথ মহাপাত্র মন্দির টিআবিষ্কার করেছিলেন। তবে নির্মিত হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ৯০০ শতাব্দীতে।
মেয়ে গনেশের মাথায় জটাজুট যা সচরাচর গণেশ মূর্তি তে দেখা যায় না। এই মূর্তি কে মাতঙ্গী ,শীতলা, বৈনাইতি, গণেশাজি বা গজাননাওবলা হয়ে থাকে এনার বাহন হল গাধা। মন্দির প্রবেশপথে ছজন দ্বারপাল মাঝখানের উঠোনে দুটি পুরুষ মূর্তি রয়েছে। সব মিলিয়ে একটা পুরনো দিনের অনুভূতি আপনার মনে জাগবে এই মন্দিরটি দেখলে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment