গ্রামের মধ্যে তারাপীঠের আবর্জনা, আবর্জনা সরাতে পথ অবরোধ - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 2 September 2019

গ্রামের মধ্যে তারাপীঠের আবর্জনা, আবর্জনা সরাতে পথ অবরোধ




দেবশ্রী মজুমদার:    তারাপীঠের সমস্ত  আবর্জনা ফেলা হচ্ছে গ্রাম সংলগ্ন জমির মধ্যে। বাড়ছে  দূষণ। কৌশিকী অমাবস্যায় তার পরিমান বেড়েছে বহুগুণ।  প্রতিবাদে সকাল থেকে কড়কড়িয়া মোড়ে রামপুরহাট – ময়ূরেশ্বর রাস্তা অবরোধ করেন গ্রামবাসীরা। ঘণ্টা তিনেক অবরোধ চলার পর তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায়।       



 প্রসঙ্গত, তারাপীঠে প্রতিদিনই কয়েক গাড়ি আবর্জনা জমে। সেই আবর্জনা এতদিন তারাপীঠ ঢোকার মুখে রাস্তার ধারে ফেলে দেওয়া হত। ২৯ আগস্ট থেকে দুদিন তারাপীঠে কৌশিকী অমাবস্যা থাকায় আবর্জনার পরিমান কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে।   



 সেই আবর্জনা এবার ফেলা হয়েছে তারাপীঠ সংলগ্ন কড়কড়িয়া গ্রামের মাঠে। আবর্জনায় রয়েছে এঁটো পাতা, উচ্ছিষ্ট খাবার, শালপাতা, প্লাস্টিক, জলের পাউচ। এলাকায় আবর্জনা ফেলায় এলাকা দুর্গন্ধে ভরে গিয়েছে। বাড়ছে দূষণের মাত্রা। প্রতিবাদে সোমবার সকালে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রামের মানুষ। তাদের দাবি অবিলম্বে আবর্জনা তুলে নিতে হবে।



সেই সঙ্গে পুনরায় আবর্জনা ফেলা হবে না তার নিশ্চয়তা দিতে হবে। গ্রামের বাসিন্দা বাসুদেব মণ্ডল, পল্টু শেখরা বলেন, “তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ শুধুমাত্র টিন দিয়ে এলাকা ঘিরে আবর্জনা ফেলছে। ফলে এলাকায় দূষণ ছড়াচ্ছে। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে পুলিশ দিয়ে জোড় করে ময়লা ফেলা হচ্ছে। যেখানে ফেলা হয়েছে তার পাশেই রয়েছে চাষযোগ্য জমি। দুর্গন্ধে রাস্তা দিয়ে মানুষ হাঁটতে পারতে না। চাষ করা যাচ্ছে না। তারই প্রতিবাদে গ্রামের মানুষ একত্রিত হয়ে পথ অবরোধ করেছেন। আমাদের দাবি পর্ষদের কর্তাদের এসে ময়লা তুলে ফেলা এবং আর না ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে যেতে হবে”।       



পর্ষদের বিভাগীয় বাস্তুকার মিলন মণ্ডল এলাকায় গিয়ে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠে যায়।      মিলনবাবু বলেন, “আমরা গ্রামবাসীদের বললাম যাতে দুর্গন্ধ না ছড়াই তার জন্য পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার দেওয়া হবে। কিন্তু গ্রামবাসীরা মানছেন না। বিষয়টি রামপুরহাট মহকুমা শাসককে জানাব। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেইভাবে কাজ হবে”।       



পর্ষদের চেয়ারম্যান আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “গ্রামবাসীদের অসুবিধায় ফেলে আমরা কোন কাজ করব না। তবে রাজনৈতিক উদ্দেশে আন্দোলন করে থাকলে তাও মানব না। এনিয়ে পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, পর্ষদ এবং গ্রামবাসীদের নিয়ে আলোচনায় বসে সমস্যার সমাধান করব”।



পি/ব 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad