সুদেষ্ণা গোস্বামী: জমিদারি নেই তবে ঐতিহ্য আজও বয়ে নিয়ে চলেছে ঘোষাল বাড়ি। বনেদিয়ানা লেপ্টে আছে ইটের প্রত্যেকটি খাজে।ক্ষয় হয়েছে প্রত্যেকটি ইটের কিন্তু ক্ষয় হয়নি দুর্গাপূজোর নিয়মনিষ্ঠা তে। ঢাকের আওয়াজ নেই তার বদলে আছে কাশর ও ঢোল। ৫৬৩ বছরের পুরনো প্রথার বিন্দুমাত্র নড়চড় হয়নি ।
ব্রিটিশ আমলে ব্রিটিশরা সহায়তা করতে বনেদি বারির পুজো তে। তাছাড়া এটা কিছুটা পারিবারিক ও কিছুটা বারোয়ারি পুজো। সকলের মিলমিশ এবং হাত ধরেই পূর্ণতা লাভ করে মায়ের আগমনী।এখানে প্রতিপদে চণ্ডীপাঠ হয় এবং ঠাকুর বিসর্জন হয় দিনের বেলায় মহিলারা পাবদা, ইলিশ খেয়ে বিসর্জনে যান এটাই এখানকার প্রথা। উল্টো রথের দিন কাঠামো পুজোর পর শুরু হয়ে যায় মৃন্ময়ী রূপ গরার কাজ।
পুজোর কয়েকটা দিন এখানে মহিলারা মাতিয়ে রাখেন নানান রকম অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। ঠাকুরদালান হয়ে যায় জমজমাট। জমিদারির জৌলুস না থাকলেও আয়োজনের ত্রুটি নেই এখানে। জম্পেস ভোজের ব্যবস্থা থাকে় ঠাকুরদালানে। এইসব বনেদি বারির পুজো গুলো যেন আপামর বাঙালির মনে ঐতিহ্য অটুট রাখতে চেষ্টা করে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment