খেলাৎচন্দ্র ঘোষের বাড়ির পুজো - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 6 September 2019

খেলাৎচন্দ্র ঘোষের বাড়ির পুজো




 প্রেস কার্ড নিউজ ডেস্ক ;       খেলাৎবাবুর বাড়ির পুজো ঐতিহ্য, সাজসজ্জায় কিংবা পরিবেশেও অনেকটাই স্বতন্ত্র।পাড়ার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত সারিবদ্ধ ঔপনিবেশিক স্থাপত্য,টানা বারান্দাওয়ালা বাড়িগুলির কোনওটা বিবর্ণ মলিন, কোনওটা বা নতুন রঙের প্রলেপে উজ্জ্বল। তারই মাঝে সাদা-গোলাপি রঙের থামওয়ালা বাড়িটা যেন অতীতের আভিজাত্য ঘোষণায় রত।পুজোর ক’টা দিন আজও কোন এক অজানা আকর্ষণে সেখানে উপচে পড়ে উৎসুক মানুষের ভিড়।


কলকাতার বনেদি বাড়ির পুজোর তালিকায় একেবারে ‘মাস্ট সি’ তালিকার অন্যতম সে পুজো খেলাৎবাবুর বাড়ির পুজো নামেই পরিচি  এ বাড়ির পাশেই রামলোচন ঘোষের বাড়ি। রামলোচন ছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ান। তাঁরই মেজ ছেলে দেবেন্দ্রনারায়ণের ছেলে খেলাৎচন্দ্র বাংলার ইতিহাসে এক স্মরণীয় নাম। সাবেক ভদ্রাসনের ঠিক পাশেই দু’দালান বিশিষ্ট পাঁচ খিলানের দুর্গাদালান-সহ প্রাসাদোপম এক বাড়ি তৈরি করে খেলাৎচন্দ্র সেখানেই ১৮৪৬ নাগাদ সাড়ম্বরে শুরু করেন দুর্গোৎসব।



 বলাই বাহুল্য, খেলাৎচন্দ্রের এই পুজো ঐশ্বর্যে এবং আভিজাত্যে শহরের অভিজাত পুজোগুলির অন্যতম হয়ে উঠেছিল।   এ বাড়ির প্রতিমা মঠচৌরি চালের সাবেক বাংলা রীতির। পরানো হয় রুপোলি ডাকের সাজ। রুপোলি তবক মোড়া সিংহাসনে দেবীর অধিষ্ঠান। এখানে দেবীর বাহন ঘোটকাকৃতি। পুজোয় আজও ব্যবহার করা হয় রুপোর বাসনপত্র। ঠাকুরদালানের উপরে আর্লি বেঙ্গল অয়েল পেন্টিং দেখা যায় ।



আগে নবমীর দিন করা হত এলাহি খাওয়াদাওয়ার আয়োজন। আগে এখানে মহিষবলি, পাঁঠাবলি দেওয়া হলেও বহু বছর তা বন্ধ হয়েছে। এখন এখানে চিনির মঠ প্রতীকী বলি দেওয়া হয়। এই বাড়িতে বিভিন্ন সময়ে এসেছেন শ্রীরামকৃষ্ণ, মোহনদাস কর্মচন্দ গাঁধী।



  পি/ব

      

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad