সুদেষ্ণা গোস্বামীঃ ব্যর্থ শিশুদের অবসাদের প্রথম ওষুধ হলো তার অভিভাবক। হ্যাঁ একজন অভিভাবকই পারে তার মন থেকে সমস্ত জ্বালা-যন্ত্রণা বার করতে। ব্যর্থতা বেশি আসে বয়সন্ধির সময়। এই সময় তাদের বোঝানোটা একটু দুষ্কর হয়ে পড়ে।যখন তাদের মনে নানান রকম কষ্ট ভীর করে তখন তারা অনেক রাত অব্দি জেগে থাকে ,খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয় ,আবার কেউ কেউ তো বন্ধু-বান্ধবদের সাথে মিশতে ওচায় না ।
বেশিরভাগ সময় জগত থেকে আলাদা হয়ে থাকতে চায় এবং সব থেকে বড় ব্যাপার হল অভিভাবকদের একদম এড়িয়ে চলে। এই পরিস্থিতিতে সন্তানের সঙ্গে নিজের সমস্যার কথা আলোচনা করতে শুরু করে দিন। দেখবেন তখন সে ধীরে ধীরে নিজের সমস্যার কথা বলা শুরু করবে।
এই সময়টা এমনই তারা লুকোতে শুরু করে অনেক কথা। তাই যেটা আপনার পছন্দ হচ্ছে না সেটাও শুনতে হবে মন দিয়ে। কোন বিষয়ে সে যদি ব্যর্থ হয় তাহলে বারবার তাকে প্রশ্ন করবেন না।কোনো প্রতিযোগিতায় হেরে গেলে তাকে বোঝান যে অংশগ্রহণ করাটাই আসল কথা। যে বিষয়ে আপনার সন্তান বারাবার ভালো সেই বিষয়ে হঠাৎ যদি সে ব্যর্থ হয়ে পড়ে তবে বন্ধুর মত তার পাশে গিয়ে দাঁড়ান।
তার সামনে তুলে ধরুন নিজের ছোটবেলার গল্প। কোন বিশেষ বিষয়ে কথা বলতে গেলে সবার সামনে না বলে আড়ালে বলুন। আপনার সন্তান যদি কোন বিষয়ে বারবার ফেলিওর হয় তবে তাকে সময় দিন ব্যর্থতা থেকে বেরিয়ে আসার সমাধানের পথ খুঁজতে হবে ধীরে ধীরে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment