দেবশ্রী মজুমদার: বীরচন্দ্রপুরের জগন্নাথ মন্দিরে তিন ভোগ--- রাজভোগ, ব্রত ভোগ ও সান্ধ্য ভোগ। সকালে পানিফল গুঁড়ো দিয়ে হালুয়া, ফলমুল ও শাকাহার। এই হলো ব্রত ভোগ। দুপুরে রাজভোগে থাকে অন্ন ভোগ, পঞ্চ ব্যাঞ্জন,ছানার রসা, পটল পোস্ত, পঞ্চ শাক, পঞ্চ ভাজা, ডাল, পায়েস, চাটনি, পুষ্পান্ন , মিষ্টি।
শনিবার রাতে অষ্টম তিথিতে তালের বড়া, তালের লুচি, মিষ্টান্ন, কেক, বিউলি ডালের বড়া, পিঠে, মালপোয়া। ভগবৎ সেবায় সমস্ত ভোগ আশ্রমে তৈরি বলে জানান, আশ্রমের শ্রী সনাতন দাস বাবাজি। জানা গেছে, ৮৮৪ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনকালে বীরচন্দ্রপুর ধামে নিত্যানন্দ মহা প্রভুর পিতৃদেব হারাই পণ্ডিত ও মাতৃদেবী পদ্মাবতী স্বপ্নে জগন্নাথ দেবের দর্শন পান। তারপর এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠা।
মথুরায় শনিবার রাত বারোটায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে অভিষেক হলেও, এখানে রাত সাড়ে নয়টায় শ্রীকৃষ্ণের অভিষেক হয়। সারা দিনমান হরিনাম সংকীর্তন হয়। প্রসাদ পাওয়ার জন্য প্রচুর ভক্ত সমাগম ঘটে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment