পশ্চিম সিকিমের পর্যটক প্রিয় শহর রিনচেন পং। পেলিং থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার। এখান থেকে সহজেই দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার কুম্ভকর্ণ তুষার শৃঙ্গের অনুপম সৌন্দর্য। দু'চারটা হেঁটে যাওয়া যায় রিস ম মনাস্ট্রি। পয়েজনলেক, রবীন্দ্র স্মৃতি ভবন একটি গাড়ি নিয়ে যেতে পারেন।
কি দেখবেন পাহাড় প্রেমী মানুষ এখানে আসেন মূলত কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে রূপের ডালি নিয়ে চোখের সামনে উদ্ভাসিত হয় কাঞ্চনজঙ্ঘা। রিনচেন পং মানাস্টি। বহু প্রাচীন এই মনাস্টির গঠন শৈলী এবং এখানকার বুদ্ধমূর্তি দুটি যথেষ্ট ব্যতিক্রমী ধ্যানমগ্ন বুদ্ধ কে আলিঙ্গন করে আছে এক নারীমূর্তি যেতে সচরাচর কোথাও দেখা যায় না।
হেরিটেজ হাউস প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন এই বাড়িটি লেপচা উপজাতির নিজস্ব সংস্কৃতির একটি নিদর্শন।হাজার ৮০৭ খ্রিস্টাব্দে তৈরি এই বাড়িতে এক সময় ব্রিটিশ কর্মচারীরা থাকতেন। কাছেই আছে রবীন্দ্র স্মৃতি ভবন। এখানে ডাক বাংলোতে বসে রবীন্দ্রনাথ বেশ কিছু কবিতা লিখেছিলেন।
পয়েজেন লেক চারপাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা নীল জলের এই লেক। যার সঙ্গে লেপচার স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। ব্রিটিশ সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে লেপচারা এই লেকের জলে বিষ মিশিয়ে দিয়েছিল। সেই বিষ মেশানো জল পান করে বহু ব্রিটিশ সৈন্যরা ও তাদের মৃত্যু হয় সেই থেকেই এ লিকের নাম পয়জন লেক।
পি/ব
No comments:
Post a Comment