ক্যালডীয় সভ্যতা প্রাচীন যুগে গড়ে অঠা এক অন্যতম সভ্যতা। বর্তমানে ইরাজে অবস্থিত এই সভ্যতাটি এক সময় ব্যাবিলন শহরকে ঘিরে গড়ে ওঠায় ক্যালডীয় সভ্যতাকে নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতাও বলা হয়। মেসোপটেমীর সভ্যতার চূড়ান্ত ধাপ ক্যালডীয় সাম্রাজ্য গড়ে তোলার সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল সম্রাট নেবুচাদনেজার। কঠোর শাসক নেবুচাদনেজার তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করায় জেরুজালেম শহর ধ্বংস করে হাজার হাজার হিব্রুকে (ইহুদী) বন্দী করে নিয়ে আসেন যা ব্যাবিলনীয় বন্দীদশা নামে পরিচিত।
নেবুচাদনেজারের রানী শখ করে রাজাকে একটি বাগান নির্মাণ করে দিতে বলেন। রানীর আবদার রাখতে রাজা নেবুচাদনেজার নগরীর চারদিকে যে দেয়াল ছিল তারই ছাদে তৈরি করেন বিশাল বাগান, এটিই এখন ‘ব্যাবিলনের শূণ্য উদ্যান’ নামে পরিচিত। বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখায় খুব বেশি অবদান না রাখলেও জ্যোতির্বিজ্ঞানে তাদের অবদান অসামান্য। সর্বপ্রথম সপ্তাহকে সাত দিনে এবং দিনকে ১২ জোড় ঘণ্টায় ভাগ করে ক্যালডীয়রা। এ যুগের বিজ্ঞানীরা ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান, যা থেকে ১২টি রাশিরচক্রের সৃষ্টি হয়। এদের প্রধান দেবতা ছিল ‘মারডক’। পারস্য আক্রমণে ধ্বংস হয় এই সভ্যতা।
পি/ব
No comments:
Post a Comment