মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে টাইগ্রিস নদীর তীর ঘেঁষে ছিল ‘আশুর’ শহর। এই শহর ঘিরেই গড়ে ওঠে আশেরীয় সভ্যতা। এই সভ্যতা প্রথমদিকে কৃষি এবং পশুপালনের উপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় জনসংখ্যা বাড়ার কারণে এদের প্রাত্যহিক জীবনে নানা সংকট দেখা দেয় এবং ধীরে ধীরে এরা আশেপাশের বিভিন্ন অঞ্চল দখল করে লুটপাট করতে শুরু করে।
পরবর্তীতে লুটের মালই এদের অর্থনীতির মূল উৎস হয়ে উঠে। আশেরীয়দের সে যুগের বিচারে আধুনিক সৈন্যবাহিনী ছিল। তারাই প্রথম লোহার অস্ত্র তৈরি করে গোলন্দাজ বাহিনী গঠন করে এবং যুদ্ধরথের ব্যবহার করে। শেষ সম্রাট 'আশুরবানিপাল' কর্তৃক নির্মিত কিউনিফর্ম পদ্ধতিতে লেখা ২২০০ টি কাদামাটির শ্লেট সম্বলিত লাইব্রেরি পাওয়া যায় এখানে। তিনশো বছরের স্থায়িত্বকাল শেষে ৬১২ খ্রিস্টপূর্বে ধ্বংস হয় এই সভ্যতা।
পি/ব
No comments:
Post a Comment