এত ফাস্ট লাইফ স্টাইলে আমরা কোথায় যেন নিজেদের স্বপ্ন গুলোকে হারিয়ে ফেলছি। সব বাধা কাটিয়ে দ্রুত সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে শিখরে ছোঁয়ার বাসনা আজ আমরা সবাই সামিল। পুরুষের মতোই নারীর ও সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। কিন্তু ক্যারিয়ারের শিখরে পৌছাতে গিয়ে প্রায়ই পিছনে থেকে যায় মাতৃত্ব না হওয়ার অতৃপ্তি।
একটু খতিয়ে দেখলে দেখা যাবে যে সময়ে একটি নারীর সন্তান ধারণ করার সময় সেই সময় দেই তার প্রতিষ্ঠিত হবার লড়াই পুরোদমে চলে সমাজে। তাছাড়া পারিবারিক প্রতিকূল অবস্থা তো থাকেই এই সংগ্রামে। ফলে ঘা থেকে দূরে সরে যেতে থাকে মাতৃত্বের সোনালী রেখা। শুধু সময়ের অভাব নয় বহু মহিলাই প্রিম্যাচিউর মেনোপজ এর শিকার হন। সময়ের আগেই বন্ধ্যাত্ব চলে আসে।
কিন্তু মেনোপজ এর পরেও মা হওয়া সম্ভব আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায়। আধুনিক ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতি বহু অসম্ভবকে সম্ভব করেছে।সবার আগে পরীক্ষা করান। সমস্যাটা হতে পারে শুধুমাত্র স্বামী বা স্ত্রীর অথবা হতে পারে দুজনেরই। অর্থাৎ কোন একটি কারণে কোনো একজনের বা দুজনের সমস্যার জন্য সন্তান আসছে না।স্ত্রীর ডিম্বাণু হীনতা ডিম্বাণু তৈরি না হওয়া স্ত্রীর গর্ভে সন্তান ধারণের পক্ষে অনুপযুক্ত, স্বামীর শুক্রাণু হীনতা কিংবা শুক্রাণুর গুণমান স্বাভাবিকের তুলনায় খারাপ হলে চিকিৎসকেরা তৃতীয় ব্যক্তির সহায়তা গ্রহণের পরামর্শ দেন। আর এতে খারাপ কিছু নেই বরং দম্পতির বহু দিনের আশা পূর্ণ হয় ও তারা ভাল থাকেন।
শুক্রাণু ও ডিম্বাণু দান গ্রহণ করে বা স্যারোগেট মায়ের গর্ভ ব্যবহার করে ও মাতৃত্ব লাভ সম্ভব। সর্বশেষে বলা যায় নিজেকে রিলাক্স রাখুন।বই পড়া গান শোনা গল্প করা ইত্যাদির মধ্যে দিয়ে দেহ মনে চাপমুক্ত থাকলে দেখবেন দ্রুত এনার্জী ফিরে আসবে জীবনে তার সাথে চাই পর্যাপ্ত ঘুম। এবং পনেরো-কুড়ি মিনিট হলেও শরীর চর্চা অবশ্যই করবেন। প্রেগনেন্সির স্বার্থে ধূমপান এবং মদ্যপান একেবারেই বর্জন করুন।
পি/ব
No comments:
Post a Comment