মূল চীনের সাথে জুড়ে আছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র তিব্বত, সিংকিয়াং, মঙ্গোলিয়া এবং মাঞ্চুরিয়া। চীন দেশের পাঁচ ভাগের চার ভাগ জুড়ে রয়েছে পাহাড়, পর্বত আর মালভূমি। হোয়াংহো-ইয়াংজেকিয়াং নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল চীনা সভ্যতা। চীনারা বিশ্বাস করতো তাদের সমৃদ্ধির পেছনে ড্রাগনের ভূমিকা রয়েছে। চীনের বিভিন্ন শাসনামলের মধ্যে রয়েছে হুয়াংতি রাজা, শাং রাজা, চৌ রাজাদের শাসন।
চৈনিক সভ্যতা হলেও এদের প্রত্যেকের কিছু কিছু আলাদা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ছিল। চীনের প্রাচীন দার্শনিক ছিলেন লাও জু। তার চিন্তাকে নাম দেয়া হয় তাওবাদ। চীনের সবচেয়ে প্রভাবশালী দার্শনিক ছিলেন কনফুসিয়াস। কনফুসিয়াসের প্রধান অনুসারী মেনসিয়াস-ও বিখ্যাত। চীনাদের মধ্যে পূর্বপুরুষ পূজার রীতি চালু ছিল। চীনা বিশ্বাস মতে, পূর্বপুরুষদের আত্মার প্রভাব পড়ে বংশধরদের উপর। তাই পূর্বপুরুষের আত্মার শান্তির জন্য তারা খাবার উতসর্গ করতেন।
পি/ব
No comments:
Post a Comment